ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ২, ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক রূপ ধারণ করেছে। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশজুড়ে হামের উপসর্গে আরও ৬টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিন ও প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গতকাল সোমবার সকাল আটটা থেকে শুরু করে আজ মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই শিশুরা মারা যায়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মৃত শিশুদের প্রায় সবার শরীরেই হামের তীব্র উপসর্গ ছিল। সাধারণত হামের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে প্রচণ্ড জ্বর, সর্দি-কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরজুড়ে লালচে গুটি বা র‍্যাশ দেখা দেয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে পুষ্টিহীনতা এবং সময়মতো টিকা না নেওয়ার কারণে জটিলতা বেশি দেখা যাচ্ছে। 

হামের পরবর্তী ধাপে নিউমোনিয়া, তীব্র ডায়রিয়া কিংবা মস্তিষ্কের প্রদাহের (এনসেফালাইটিস) মতো মারাত্মক উপসর্গ তৈরি হওয়ায় শিশুদের বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহামারি ও রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের কিছু নির্দিষ্ট পকেট বা দুর্গম এলাকায় যেখানে টিকাদানের হার তুলনামূলক কম, সেখানে হামের সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে। 

শিশুদের সুরক্ষায় ৯ মাস বয়স পূর্ণ হলে হাম ও রুবেলার প্রথম ডোজ (এমআর) এবং ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে অনেক অভিভাবক অসচেতনতার কারণে সময়মতো এই টিকা দিচ্ছেন না, যা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।

টানা কয়েকদিন ধরে হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অধিদপ্তর থেকে সাধারণ মানুষের প্রতি জরুরি কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছ।

শিশুর শরীরে প্রচণ্ড জ্বরের সঙ্গে লালচে দানা বা র‍্যাশ দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। আক্রান্ত শিশুকে সম্পূর্ণ আলাদা বা আইসোলেশনে রাখতে হবে, যেন বাড়ির অন্য শিশুরা সংক্রমিত না হয়।

যেসব শিশু এখনো হামের টিকা পায়নি, তাদের দ্রুত টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ইপিআই (EPI) শিডিউল অনুযায়ী টিকা নিশ্চিত করতে হবে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আক্রান্ত এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি টিম পাঠানো হয়েছে এবং সেখানে জরুরি ভিত্তিতে আউটরিচ টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার প্রক্রিয়া চলছে বলে অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

এএন

Link copied!