ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

‘শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন অনিশ্চিত’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নভেম্বর ১৮, ২০২৫, ১০:৫১ এএম

‘শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন অনিশ্চিত’

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ (আইসিজি) বলছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঘোষিত মৃত্যুদণ্ড তাঁর বাংলাদেশের রাজনীতিতে সম্ভাব্য পুনরাগমনকে প্রায় অসম্ভবের কাছাকাছি নিয়ে গেছে।

সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এ মন্তব্য করে।

আইসিজির মতে, শেখ হাসিনা যতদিন আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব ধরে রাখবেন, দলটির পুনরায় রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়ার পথ তত বেশি সংকুচিত হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ব্যাপক গণ-আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। সেদিনই শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম সাময়িক নিষিদ্ধ করে এবং নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন স্থগিত করে। এরই মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত সপ্তাহে জানান, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করার পর আইসিজি জানায়, তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সাম্প্রতিক ঘটনাবলি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

সংস্থাটির সিনিয়র কনসালট্যান্ট থমাস কিন বলেন, রায়ের ঘোষণা বাংলাদেশে বহু মানুষ ইতিবাচকভাবে নেবে। তাঁর দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বিক্ষোভকারীদের ওপর চালানো সহিংস দমন-পীড়নের ঘটনায় শেখ হাসিনার দায় নিয়ে ‘সন্দেহের তেমন জায়গা নেই’—এমন ধারণা বিভিন্ন মহলে আগে থেকেই প্রচলিত।

কিন জাতিসংঘের একটি তদন্ত প্রতিবেদনের উল্লেখ করে বলেন, প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের প্রাণহানিকারী সহিংসতা রাজনৈতিক নেতৃত্বের জ্ঞাতসারে পরিচালিত হয়েছিল—এমন অভিযোগ সেখানে উঠে এসেছে। একই প্রতিবেদনে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে দায়ী করা হয়।

আইসিজি বলছে, বিচার চলাকালে উপস্থাপিত প্রমাণের মধ্যে ছিল দমন-পীড়ন সংক্রান্ত অডিও রেকর্ডিং এবং সাবেক পুলিশপ্রধানের সাক্ষ্যও।


তবে থমাস কিন উল্লেখ করেন, পুরো বিচারপ্রক্রিয়া বিতর্কহীন নয়। অনুপস্থিতিতে বিচার, দ্রুত রায় ঘোষণা এবং প্রতিরক্ষার পক্ষে পর্যাপ্ত সুযোগের অভাব—এসব বিষয় বিচার প্রক্রিয়ার ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাঁর মতে, এসব বিতর্ক বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা স্পষ্ট করে দেয়, যা অন্তর্বর্তী সরকারও এখনো পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি।

তিনি বলেন, “বিচার নিয়ে সমালোচনা থাকলেও এটি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বা দলটির শীর্ষ নেতাদের ভূমিকা খাটো করার সুযোগ সৃষ্টি করে না।”

থমাস কিন মনে করেন, রায়ের রাজনৈতিক প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হবে। শেখ হাসিনার ক্ষমতায় ফেরার সম্ভাবনা এখন কার্যত শূন্যের কাছাকাছি। তিনি মন্তব্য করেন, শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে থাকলে দলটিরও নিকট ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ময়দানে ফিরে আসা অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠবে।

ইএইচ

Link copied!