ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ঈদ উপলক্ষে আফগানিস্তানে ৫ দিন হামলা করবে না পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্চ ১৯, ২০২৬, ১০:১৬ এএম

ঈদ উপলক্ষে আফগানিস্তানে ৫ দিন হামলা করবে না পাকিস্তান

কাবুলের একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভয়াবহ বিমান হামলায় শত শত মানুষের মৃত্যুর দুই দিন পর আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান সাময়িক স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী পাঁচ দিন এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে বলে বুধবার (১৮ মার্চ) পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কের মতো বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর অনুরোধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার মধ্যরাত থেকে সোমবার মধ্যরাত পর্যন্ত আফগানিস্তানে সব ধরনের হামলা বন্ধ থাকবে। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই সময়ের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তানে কোনো ধরনের হামলা হলে পুনরায় দ্বিগুণ শক্তিতে অভিযান শুরু করা হবে।

পাকিস্তানের এই ঘোষণার পরপরই তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। গত সোমবার রাতে কাবুলের ‘ওমিদ’ মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়েছে বলে দাবি করেছে তালেবান সরকার। বুধবার নিহতদের স্মরণে কাবুলে এক বিশাল গণজানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

পাকিস্তান দাবি করেছে, তারা কোনো নিরাময় কেন্দ্র নয় বরং ‘সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থল ও সামরিক স্থাপনা’ লক্ষ্য করে নিখুঁত হামলা চালিয়েছে। তাদের মতে, ওই কেন্দ্রটি ড্রোন মজুত ও আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হতো। অন্যদিকে আফগান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হাক্কানি এই হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত অপরাধ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং এর প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।

আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, গত তিন সপ্তাহের এই যুদ্ধে ইতিমধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজারেরও বেশি বেসামরিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সীমান্ত বন্ধ থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে এবং মানবিক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। জাতিসংঘ এবং ইইউ স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, যুদ্ধের সময় বেসামরিক ও চিকিৎসা স্থাপনায় হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

এএন

Link copied!