ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

দুর্নীতির দায়ে চীনের সাবেক দুই মন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ৭, ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম

দুর্নীতির দায়ে চীনের সাবেক দুই মন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড
দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেংহে এবং লি শাংফু। ছবি: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে চীনের সাবেক দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেংহে ও লি শাংফুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি সামরিক আদালত। তবে রায়ে শাস্তি কার্যকরের ক্ষেত্রে দুই বছরের স্থগিতাদেশ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। এই সময়ের মধ্যে কোনো নতুন পরিস্থিতি না এলে দণ্ডটি পরে আজীবন কারাদণ্ডে রূপ নেবে এবং ভবিষ্যতে শাস্তি হ্রাস বা প্যারোলের কোনো সুযোগ থাকবে না।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি এবং সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার ৭ মে ঘোষিত এই রায়ে দুই সাবেক মন্ত্রীকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। আদালত তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে গুরুতর বলে উল্লেখ করে সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা করে।

রায়ের বিস্তারিত তথ্য অনুযায়ী, ওয়েই ফেংহে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। অন্যদিকে লি শাংফুর বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের পাশাপাশি ঘুষ প্রদানেও জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে আদালত জানায়। দুজনই চীনের কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের সাবেক সদস্য এবং স্টেট কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আদালতের নির্দেশে তাদের রাজনৈতিক সব অধিকার আজীবনের জন্য বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিগত সব সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ওয়েই ফেংহে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৩ সালের মার্চে তাকে সরিয়ে লি শাংফুকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী করা হয়। তবে লি শাংফুর মেয়াদ ছিল স্বল্পস্থায়ী। দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তাকে বরখাস্ত করা হয়। এর আগেই তিনি হঠাৎ জনসমক্ষে অনুপস্থিত হয়ে পড়েন, যা নিয়ে তখন থেকেই নানা জল্পনা শুরু হয়।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে সিনহুয়া জানায়, তদন্তে লি শাংফুর বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ ঘুষ গ্রহণ এবং অন্যদের ঘুষ দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে বলা হয়, তিনি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা অর্জনের চেষ্টা করেছেন।

অন্যদিকে ওয়েই ফেংহের বিরুদ্ধে তদন্তে উঠে আসে, দায়িত্বে থাকাকালে তিনি বিপুল অর্থ ও মূল্যবান সম্পদ ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন নিয়োগ ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় অবৈধ সুবিধা দিতে সহায়তা করেছেন বলেও প্রমাণ পাওয়া যায়।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সাম্প্রতিক সময়ে সেনাবাহিনীতে চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে ‘বিপ্লবী শুদ্ধি অভিযান’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের মাধ্যমে পুনর্গঠনের পথে এগোচ্ছে।

এম জি

Link copied!