আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মে ১৬, ২০২৬, ০২:০৬ পিএম
বিভিন্ন সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সাম্প্রতিক বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই পরিস্থিতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোকে নিয়ে একটি সমন্বিত সামরিক জবাব গঠনের চেষ্টা করলেও সৌদি আরব ও কাতারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলো এতে সাড়া দেয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পরপরই সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান সৌদি আরবসহ কয়েকটি আঞ্চলিক নেতার সঙ্গে জরুরি যোগাযোগ করেন। তিনি যুক্তি দেন যে, ইরানের হামলা প্রতিহত করতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপসাগরীয় দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরোধ প্রয়োজন।
তবে সৌদি আরব ও কাতার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে, তারা সরাসরি কোনো সামরিক সংঘাতে জড়াতে আগ্রহী নয়। তাদের মতে, উত্তেজনা বাড়ানোর পরিবর্তে কূটনৈতিক সমাধানই উত্তম পথ।
এদিকে ইরানি হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু বন্দর, বিমানবন্দর ও আবাসিক এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। হরমুজ প্রণালির আশপাশে অস্থিরতার কারণে তেল ও গ্যাস সরবরাহেও প্রভাব পড়ে বলে দাবি করা হয়।
এই পরিস্থিতিতে আমিরাত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের পথে এগোচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে সৌদি আরব ও আমিরাতের মধ্যে কূটনৈতিক দূরত্ব বেড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে কাতার উত্তেজনা কমানোর ওপর জোর দিচ্ছে এবং সৌদি আরবও সরাসরি সংঘাতের পরিবর্তে মধ্যস্থতামূলক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে মতভেদ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি অঞ্চলটির সামগ্রিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল ও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।
এম জি