ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

নেপালে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে মৃত্যু ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ১৩, ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

নেপালে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে মৃত্যু ২

বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে নেপালে আবারও তীব্র আন্দোলন শুরু হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বাড়তে থাকা হতাশাকে কেন্দ্র করে রাজধানী কাঠমান্ডুর রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনকারীরা। তীব্র এই আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহর পদত্যাগের দাবি তোলা হয়েছে।

আন্দোলন ঘিরে গত তিন দিনে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও একজন। সোমবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

‘জেন-জি নেপাল’ সংগঠনের দাবি, বালেন্দ্র শাহ সরকার জনবিরোধী ও স্বৈরাচারী শাসন চালাচ্ছে। তাদের মতে, সাম্প্রতিক বাজেট ও সরকারি নীতিতে যুবকদের কর্মসংস্থান বা আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের মতো কোনো বাস্তব পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, কাঠমান্ডুতে গত সপ্তাহে পুলিশের চাকা লক করার ঘটনায় নিজের শরীরে আগুন দেন ২৫ বছর বয়সী রাইড-শেয়ারিং চালক গণেশ নেপালি। গত বৃহস্পতিবার তিনি কাঠমান্ডুর একটি সড়কে যাত্রীর অপেক্ষায় থাকার সময় পুলিশ এসে হঠাৎ তাঁর মোটরসাইকেলের চাকায় লক লাগিয়ে দেয়। প্রতিবাদের মরিয়া পদক্ষেপ হিসেবে তিনি নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও শুক্রবার তিনি মারা যান। তাঁর এই করুণ মৃত্যুকে কেন্দ্র করেই নেপালে নতুন করে তীব্র জনরোষ ছড়িয়ে পড়ে।

চালকের মৃত্যুর পর দীর্ঘদিনের সরকারি নীতি ও প্রশাসনিক আচরণ নিয়ে জমে থাকা ক্ষোভ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। দেশটির তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে জেন-জি নাগরিকরা আবারও কাঠমান্ডুর রাস্তায় নেমে এই ঘটনার জবাবদিহি দাবি করছেন। মাত্র এক বছরেরও কম সময় আগে বিপুল সমর্থন নিয়ে নির্বাচিত হওয়া সরকারের কাছে তাঁরা এর সঠিক বিচার চাইছেন।

রোববার রাজধানীর সিংহদরবার সচিবালয়ের সামনে শত শত মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। তাঁদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘গরিবের ওপর নির্যাতন বন্ধ করো’ এবং ‘মানবাধিকারকে সম্মান করো’। বিক্ষোভকারীরা অবৈধ গ্রেপ্তার বন্ধ এবং বালেন শাহ প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে বাস্তুচ্যুত বস্তিবাসীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়েরও দাবি জানান।

নেপালি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে বালেন্দ্র শাহ কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই মহানগর পুলিশের কঠোর অভিযান অনেক বেড়েছে। তাঁর প্রশাসন বিশেষ করে ফুটপাত ও অনানুষ্ঠানিক বাজার উচ্ছেদ এবং নদীর তীরবর্তী বস্তি সরিয়ে দেওয়ার নীতির জন্য পরিচিত। এসব উচ্ছেদ অভিযান বহুবার সহিংস সংঘর্ষের জন্ম দিয়েছে এবং শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রতি প্রশাসনের আচরণ নিয়ে জনমনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট আইন বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃত করে জানায়, স্থানীয় প্রশাসন তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করে একটি সহায়ক নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে কার্যত জাতীয় পুলিশ বাহিনীর মতো বলপ্রয়োগকারী সংস্থায় পরিণত হয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!