ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

অতিরিক্ত মাদক ও অ্যালকোহল সেবনে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ২৪, ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম

অতিরিক্ত মাদক ও অ্যালকোহল সেবনে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু

লন্ডনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে অতিরিক্ত মাদক ও অ্যালকোহল সেবনের কারণে সৌদি আরবের এক যুবরাজের মৃত্যু হয়েছে। যুক্তরাজ্যের একটি আদালত এ সংক্রান্ত রায়ে জানিয়েছেন, ঘটনাটি আত্মহত্যা নয় বরং একটি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিহত যুবরাজের নাম আবদুল্লাহ বিন ফাহাদ বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ বিন জালাউই আল সৌদ (২৯)। গত বছরের ২৫ নভেম্বর পশ্চিম লন্ডনের কেনসিংটনে অবস্থিত ম্যারিয়ট হোটেলের একটি কক্ষের বাথরুম থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আদালতে পেশ করা ময়নাতদন্ত ও টক্সিকোলজি প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, মৃত্যুর সময় ওই যুবরাজের প্রতি ১০০ মিলিলিটার রক্তে ২২২ মিলিগ্রাম অ্যালকোহল ছিল। এ ছাড়া তাঁর শরীরে পার্টি ড্রাগ হিসেবে পরিচিত গামা-হাইড্রোক্সিবিউটিরেট (জিএইচবি), গাঁজা, জ্যানাক্স (অ্যালপ্রাজোলাম) এবং অন্যান্য দুশ্চিন্তা নিরোধক (অ্যান্টি-অ্যাংজাইটি) ওষুধের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, মৃত্যুর আগের সন্ধ্যায় তিনি শেষবারের মতো সিগারেট খাওয়ার জন্য রুমের বাইরে বের হয়েছিলেন। পরে হোটেলের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী তাঁকে কক্ষের বাথরুমের মেঝেতে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে জরুরি চিকিৎসাকর্মীরা পৌঁছে তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন।

চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যে জানা গেছে, যুবরাজ আবদুল্লাহ বিন ফাহাদ দীর্ঘদিন ধরে অ্যালকোহল ও জ্যানাক্স আসক্তির সমস্যায় ভুগছিলেন। মৃত্যুর প্রায় তিন মাস আগে তিনি লন্ডনের একটি ক্লিনিকে ভর্তি হয়ে আসক্তি কাটানোর চিকিৎসাও নেন। পরে সেন্ট হেলেন্সের আরেকটি ক্লিনিক থেকে গত ১৪ অক্টোবর তিনি ছাড়পত্র পান।

ক্লিনিকের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ভিক্টোরিয়া চামোরো আদালতে জানান, চিকিৎসার সময় যুবরাজ মানসিকভাবে স্বাভাবিক ছিলেন এবং অন্য রোগীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁকে আত্মহত্যার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে মনে হয়নি।

ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, যুবরাজের কোনো গুরুতর শারীরিক অসুস্থতা ছিল না। মূলত মাত্রাতিরিক্ত মাদক ও অ্যালকোহলের সম্মিলিত বিষক্রিয়ায় তাঁর হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়।

আদালত রায়ে উল্লেখ করেন, সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী মৃত্যুর আগের রাতে যুবরাজ সম্পূর্ণ একা ছিলেন। এই ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ মেলেনি। তাই আদালত একে ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, যুবরাজ আবদুল্লাহ বিন ফাহাদ সৌদি বাদশাহ সালমানের প্রপিতামহের বংশধর ছিলেন।

জেএইচআর

Link copied!