নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ০৯:০৪ পিএম
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ঘাতক গৃহকর্মী আয়েশা আক্তার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বুধবার ছয় দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি নিজের দোষ স্বীকার করেন।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম গৃহকর্মী আয়েশার জবানবন্দি রেকর্ড করার পর তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন আয়েশার স্বামী রাব্বি শিকদারও।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ৫ ডিসেম্বর আজিজুল ইসলামের বাসায় খণ্ডকালীন গৃহকর্মী হিসেবে কাজে যোগ দেন আয়েশা। কাজ শুরুর মাত্র তিন দিনের মাথায় ৮ ডিসেম্বর সকালে বাসা ফাঁকা থাকার সুযোগে আজিজুলের স্ত্রী ও শিশু কন্যাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঘটনার দিন সকালে আয়েশা বাসায় প্রবেশ করে মাত্র পৌনে দুই ঘণ্টার মধ্যে ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে বেরিয়ে যান। বাসা থেকে গলাকাটা অবস্থায় স্ত্রীর মরদেহ ও পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর মেয়ের মৃত্যু হয়।
এই জোড়া খুনের ঘটনায় গত ১০ ডিসেম্বর ঝালকাঠির নলছিটি থেকে ঘাতক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক সহিদুল ওসমান মাসুম জানান, আসামিদের জবানবন্দি ও প্রাপ্ত আলামতের ভিত্তিতে মামলার তদন্ত কাজ দ্রুত শেষ করার প্রক্রিয়া চলছে।
ইএইচ