ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

বেনজীরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ১৩, ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম

বেনজীরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে আলোচিত এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

প্রথম দিনে আদালতে সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী ও দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম। পরে আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২০ মে দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ৩ মে একই আদালত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিলে ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট আইনজীবীর মাধ্যমে সম্পদের হিসাব দাখিল করেন সাবেক এই আইজিপি। বিবরণীতে তিনি ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দেন।

তবে দুদকের তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ, তিনি ১ কোটি ৮৫ লাখ ৩১ হাজার ৬২২ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া তার নামে ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক, যা তার ঘোষিত সম্পদের তুলনায় ২ কোটি ৪০ লাখ ৪১ হাজার ২৯৮ টাকা বেশি।

দুদকের হিসাবে, বেনজীর আহমেদ মোট ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এ ঘটনায় সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত ঢাকা জেলা কার্যালয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম।

পরবর্তীতে মামলার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। চার্জশিটে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা অনুযায়ী অভিযোগ আনা হয়েছে।

এম জি

Link copied!