ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে আজ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ২, ২০২৬, ১০:১৫ এএম

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে আজ

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব আজ মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে। মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেন। এর মাধ্যমে মামলাটির বিচার কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর গত ২৪ মে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ১ জুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। নির্ধারিত দিনে আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।

তদন্ত সংস্থার জমা দেওয়া নথিতে ডিএনএ পরীক্ষার ফল, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং বিভিন্ন ফরেনসিক আলামতের তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই আদালত অভিযোগ গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা গত ১৯ মে সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়। পরে তাকে খুঁজতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা প্রতিবেশী একটি ফ্ল্যাটের সামনে তার একটি স্যান্ডেল দেখতে পান। এতে সন্দেহের সৃষ্টি হলে স্থানীয়দের সহায়তায় ওই ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করা হয়।

সেখানে একটি কক্ষ থেকে শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাথরুমে রাখা একটি বালতির ভেতর তার মাথা পাওয়া যায় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং স্বপ্না আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সোহেল রানা ঘটনার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিয়েছে বলে জানা গেছে। সে মাদকসেবনের বিষয়েও বক্তব্য দিয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষ মনে করছে, সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন দ্রুত শেষ করা গেলে মামলার বিচার অল্প সময়ের মধ্যেই নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে। তবে আসামিপক্ষের দাবি, তদন্ত কার্যক্রম খুব অল্প সময়ে সম্পন্ন হওয়ায় প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক আদালতে যাচাই করা প্রয়োজন।

এএন

Link copied!