ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
রামিসা হত্যা-ধর্ষণ

সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি হাইকোর্টে

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ১০, ২০২৬, ০২:২৬ এএম

সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নথি হাইকোর্টে

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মামলার মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনসংক্রান্ত নথি হাইকোর্টে পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার বিকেলে হাইকোর্টের আদান-প্রদান শাখা বিচারিক আদালত থেকে পাঠানো ডেথ রেফারেন্স গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, ডেথ রেফারেন্স গ্রহণের পর তা সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হবে। একই সঙ্গে মামলার পেপারবুক দ্রুত প্রস্তুতের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পেপারবুক প্রস্তুত হলেই অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়কে অবহিত করা হবে।

এর আগে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন ৭২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় ও মামলার নথিপত্র উচ্চ আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে সেগুলো হাইকোর্টে পৌঁছে।

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, কোনো বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা কার্যকর হওয়ার আগে হাইকোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। এই অনুমোদন প্রক্রিয়াকেই ডেথ রেফারেন্স বলা হয়।

রায়ের পর বিচারিক আদালত থেকে মামলার সব নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পরে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল একত্র করে যে ভলিউম প্রস্তুত করা হয়, সেটিই পেপারবুক নামে পরিচিত। এই নথির ভিত্তিতেই হাইকোর্টে মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি হয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে পেপারবুক তৈরির কাজ শেষ হতে পারে। এরপর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য গঠিত নতুন বিশেষ বেঞ্চে মামলাটি প্রাথমিক পর্যায়েই শুনানির তালিকায় আসতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিম্ন আদালতের রায়ের দ্রুত বাস্তবায়ন জনগণের প্রত্যাশা। তবে আইন অনুযায়ী আসামিদের আপিলের সুযোগও নিশ্চিত করা হবে। মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্রপক্ষ প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিয়েছে এবং শুনানির সময় কোনো মুলতবির আবেদন করা হবে না।

গত ১৯ মে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছিল। পরদিন ২০ মে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার।

১ জুন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। পরে ৭ জুন রায়ে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল।

এদিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাগুলোর ডেথ রেফারেন্স ও আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর উদ্যোগে হাইকোর্টে একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। আগামী রবিবার থেকে ওই বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

এম জি

Link copied!