ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে মামলার রায় আজ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ১০, ২০২৬, ০৮:০৬ এএম

নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে মামলার রায় আজ

আইনগত বিচ্ছেদ সম্পন্ন হওয়ার আগে বিয়ে করার অভিযোগে করা বহুল আলোচিত মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির ভাগ্য নির্ধারণ হচ্ছে আজ। বুধবার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান দাবি করেছেন, ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। তাই আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর দাবি, মামলায় অভিযোগ প্রমাণ হয়নি এবং নাসির ও তামিমা খালাস পাবেন।

মামলার বাদী রাকিব হোসেনও রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আশা প্রকাশ করেছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাকিব হোসেনের সঙ্গে তামিমা সুলতানার বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তবে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থায় ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০২১ সালে তাদের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে এবং একই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলা দায়ের করেন রাকিব।

তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর নাসির হোসেন, তামিমা সুলতানা ও তামিমার মা সুমি আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। পরে সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আদালত নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে আসে। আত্মপক্ষ সমর্থনে তামিমা আদালতে দাবি করেন, তিনি আইনগতভাবে আগের স্বামীকে তালাক দিয়েই নাসির হোসেনকে বিয়ে করেছেন।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৯৭ ও ৪৯৮ ধারায় এবং তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে ৪৯৪, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় শাস্তির বিধান রয়েছে। এসব ধারায় বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের ব্যবস্থা রয়েছে।

এএন

Link copied!