ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

মাংস খাওয়ার পর ভুলেও যেসব খাবার খাবেন না

জীবনযাপন ডেস্ক

জীবনযাপন ডেস্ক

মে ২৯, ২০২৬, ০৯:৩৪ এএম

মাংস খাওয়ার পর ভুলেও যেসব খাবার খাবেন না

কোরবানির ঈদে ভুরিভোজের আয়োজনে গরুর মাংসের পাশাপাশি নানা পদের ডেজার্ট বা মিষ্টি খাওয়ার চল বেশ পুরোনো। তবে রসনাতৃপ্তির এই চিরচেনা অভ্যাসটিই আপনার শরীরের জন্য বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে মাংস খাওয়ার ঠিক পরপরই দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া পরিপাকতন্ত্রের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, প্রতিটি খাবারের নিজস্ব পাচন ক্ষমতা ও হজমের সময় ভিন্ন হয়ে থাকে। কোনো খাবারের হজম প্রক্রিয়া দ্রুত হয়, আবার কোনোটির ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগে। আর এই ভিন্নতার কারণেই একটি ভারী খাবার খাওয়ার পরপরই অন্য যেকোনো খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

মূলত গরুর মাংস খাওয়ার পরপরই দুধ বা দুগ্ধজাত যেকোনো খাবার থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকা জরুরি। এসব খাবার একসঙ্গে গ্রহণ করলে তা শরীরের জন্য মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, আমিষ জাতীয় খাবারের পরপরই দুধ খেলে তা শরীরে পুষ্টির স্বাভাবিক আদান-প্রদানে বড় ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে।

মাংসে যেমন প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে, তেমনি দুধেও থাকে উচ্চমাত্রার প্রোটিন। তাই মাংস খাওয়ার পরপরই দুধ খেলে শরীরে অতিরিক্ত প্রোটিনের চাপ তৈরি হয়। আমাদের স্বাভাবিক পাচন ক্ষমতা হঠাৎ করে এই বিপুল পরিমাণ প্রোটিনের চাপ সহ্য করতে পারে না। যার ফলে হজম প্রক্রিয়ায় তীব্র গোলযোগ দেখা দেয়।

দুধ এবং মাংস- দুটি খাবারই মানবদেহে হজম হতে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি সময় নেয়। এই দুটি ভারী খাবার যখন খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে একসঙ্গে পেটে যায়, তখন তা শরীরের পাচন ক্ষমতার বিরুদ্ধে কাজ করতে শুরু করে। এর ফলে পরিপাকতন্ত্র দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ভেতরের ক্ষতিসাধন হতে থাকে।

হজমের এই তীব্র সমস্যার পাশাপাশি এই দুই খাবার একসঙ্গে খেলে শরীরে আরও নানাবিধ রোগ বাসা বাঁধতে পারে। এর ফলে পেটে গ্যাস হওয়া, হাই ব্লাড প্রেশার বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেওয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। এমনকি কারো কারো ক্ষেত্রে মারাত্মক অ্যালার্জি, আলসার কিংবা এসিডের সমস্যাও তৈরি হতে পারে।

তাই উৎসবের আনন্দ ধরে রাখতে কোরবানির ঈদে ডেজার্ট হিসেবে দুধের পায়েস বা ফিরনি থাকলে তা মাংস খাওয়ার পরপরই খাওয়া যাবে না। এসব শারীরিক সমস্যা থেকে বাঁচতে মাংসের পর ভুলেও দুগ্ধজাত খাবার স্পর্শ করবেন না। আর যদি ভুলে খেয়েও ফেলেন, তবে অলস বসে না থেকে হজমে সহায়তার জন্য কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করুন।

পুষ্টিবিজ্ঞানীরা পরামর্শ দিয়েছেন, গরুর মাংসের পুষ্টিগুণ শরীরে সঠিকভাবে শোষিত হতে দেওয়া উচিত। পরিপাকতন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখতে মাংস খাওয়ার পর কমপক্ষে দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করা প্রয়োজন। এই দীর্ঘ বিরতির পর দুধ বা দুগ্ধজাত দ্রব্য খাওয়া শরীরের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ।

এএন

Link copied!