ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

সৎ মায়ের নির্যাতন, মা’র কবরের পাশে শিশুর কান্না ভাইরাল

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মার্চ ২৪, ২০২৬, ০৮:৩৩ পিএম

সৎ মায়ের নির্যাতন, মা’র কবরের পাশে শিশুর কান্না ভাইরাল

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় সৎ মায়ের অমানবিক নির্যাতনের শিকার এক এতিম শিশুকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মায়ের কবরের পাশে বসে শিশুটির কান্নার একটি হৃদয়বিদারক ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নির্যাতনের শিকার ১২ বছর বয়সী ছামিয়া আক্তারকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির করা হয়। এ সময় অভিযুক্ত সৎ মা আয়েশা আক্তার নিজের ভুল স্বীকার করে উপস্থিত সকলের সামনে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ভবিষ্যতে এমন আচরণ করবেন না মর্মে মুচলেকা প্রদান করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পোহনকুছা পশ্চিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা ছামিয়া প্রায় চার বছর আগে তার মাকে হারায়। এরপর তার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। বাবার অনুপস্থিতিতে সৎ মায়ের কাছে থাকা ছামিয়া দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তুচ্ছ ঘটনায় তাকে মারধর করা হতো এবং সম্প্রতি তাকে দুই দিন ঘরে বেঁধে রেখে নির্যাতন করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ছামিয়া তার মায়ের কবরের পাশে কান্নায় ভেঙে পড়ে বলছে, আম্মু গো, কেন আমাকে আপনার সাথে নিয়ে গেলেন না? কেন রেখে গেলেন? মা, আমাকে নিয়ে যাও। এই দৃশ্যটি ইন্টারনেটে দ্রুত ভাইরাল হলে জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ ও সহানুভূতির সৃষ্টি হয়।

ঘটনাটি নজরে আসার পরপরই লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতু বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. লোকমান হোসেনকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

ইউএনও উম্মে তাহমিনা মিতু জানান, শিশুটির সৎ মা আয়েশা আক্তারকে এক মাসের জন্য সতর্কতামূলক সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে পুনরায় নির্যাতনের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয়ভাবে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

এ সময় লালমাই থানার ওসি মো. নুরুজ্জামানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপকে স্থানীয়রা ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও শিশুটির দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

জেএইচআর

Link copied!