আমার সংবাদ ডেস্ক
মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) এবং প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সোমবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সদর দপ্তর ‘বলাকা’ পরিদর্শন করেছেন। কুর্মিটোলায় অবস্থিত সদর দপ্তরে পৌঁছালে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. হুমায়রা সুলতানা এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁদের স্বাগত জানান।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বিমানের বর্তমান রুট নেটওয়ার্ক, বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনা, আর্থিক অগ্রগতি এবং আসন্ন হজ অপারেশনসহ সামগ্রিক কার্যক্রমের ওপর এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) বিমানকে আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি লাগেজ চুরির ঘটনায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের নির্দেশ দিয়ে বলেন, এ ধরনের অপরাধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এছাড়া রেমিট্যান্স যোদ্ধাসহ সাধারণ যাত্রীদের সাথে ক্যাবিন ক্রু ও কর্মীদের অপেশাদার আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। টিকেট বিক্রয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে ফ্লাইটে আসন শূন্য থাকার অভিযোগ খতিয়ে দেখারও নির্দেশ দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বিমানের অগ্রযাত্রায় মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, চুক্তি স্বাক্ষর সাপেক্ষে ২০৩২ সাল নাগাদ নতুন এয়ারক্রাফট বহরে যুক্ত হতে পারে। তবে ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিমান কীভাবে তাদের অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করবে, তার একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দ্রুত মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হুমায়রা সুলতানা এই সফরকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, মন্ত্রণালয়ের সুচিন্তিত নির্দেশনায় বিমান একটি বিশ্বমানের সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। সফর শেষে অতিথিবৃন্দ বিমান ফ্লাইট ক্যাটারিং সেন্টার পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় ও বিমানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জেএইচআর