ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
চিফ হুইপ

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর করা হবে

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আইনে রূপান্তর করা হবে

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে তামাক নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। একজন ব্যক্তি তামাকজাত দ্রব্য গ্রহণ করলে তার আশপাশে থাকা অন্তত ১০ জন মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাবের শিকার হন, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে।

তাবিনাজের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে ই-সিগারেট নিষিদ্ধের ধারাসহ তামাক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ কোনো প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই আইনে রূপান্তর করতে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে জানান জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এমপি।

শনিবার সিরডাপ ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় “ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন” শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক একটি নীতি-সংলাপের আয়োজন করে তাবিনাজ (তামাকবিরোধী নারী জোট) ও উবিনীগ (উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা)।

সভায় বক্তারা নারী ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় “ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫” কোনো ধরনের পরিবর্তন ছাড়া দ্রুত আইনে রূপান্তরের দাবি জানান।

নীতি-সংলাপে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উবিনীগের পরিচালক সীমা দাস সীমু এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হাসানুল হাসিব আল গালিব, কো-অর্ডিনেটর, টোব্যাকো কন্ট্রোল প্রজেক্ট, উবিনীগ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার না করলেও পরোক্ষ ধূমপানের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। দেশে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষ তামাকজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, তামাক কোম্পানিগুলো নানা কূটকৌশলে তরুণদের লক্ষ্য করে প্রচারণা চালায়।

ই-সিগারেট তার অন্যতম উদাহরণ, যা তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই ই-সিগারেট নিষিদ্ধকরণ ও পণ্য প্রদর্শন বন্ধের ধারা বহাল রেখে অধ্যাদেশটি পাস করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

উবিনীগের পরিচালক সীমা দাস সীমু বলেন, তামাকের কারণে নারীরা ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছেন। কর্মক্ষেত্রে ১৯%, গণপরিবহনে ৩৮% এবং বাড়িতে ৩৭% নারী পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। গর্ভাবস্থায় তামাক সেবন বা পরোক্ষ ধূমপান গর্ভস্থ সন্তানের অপরিণত জন্ম বা কম ওজনের ঝুঁকির প্রধান কারণ।

অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এম. এ. সোবহান বলেন, বিক্রয়স্থলে তামাকজাত দ্রব্যের প্রদর্শন শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের তামাক ব্যবহারে প্রলুব্ধ করে এবং এই ক্ষতিকর পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করে। অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তর করা হলে তা যুগোপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

নারী, শিশু ও তরুণ প্রজন্মের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অধ্যাদেশটি অপরিবর্তিতভাবে দ্রুত জাতীয় সংসদে পাস করে পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত করার জন্য জোরালো আহ্বান জানানো হয়। নীতি-সংলাপে তাবিনাজের সদস্য, কৃষক ফেডারেশনের সদস্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

এএন

Link copied!