আমার সংবাদ ডেস্ক
মে ২৩, ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম
অবৈধ বা চোরাইপথে আসা পশু কোরবানির উপযোগিতা সম্পর্কে ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ ও মুফতিরাই সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। তাই সবাইকে চোরাইপথের পশু পরিহার করে বৈধ উৎস থেকে শরিয়তসম্মত উপায়ে কোরবানির পশু কেনার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
শনিবার সকালে ঢাকার গাবতলী পশুর হাটে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোরবানি দেওয়া হয়। এই কোরবানি যাতে সহিহ ও হালাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়, সে বিষয়ে পশুর ক্রেতা ও বিক্রেতা-সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কোরবানির হাটে গবাদিপশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে মেডিকেল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। অসুস্থ পশুর তাৎক্ষণিক চিকিৎসা, শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি দ্রুত মোকাবিলায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকেরা হাটে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।
এবারের পশুর চাহিদার চিত্র তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে এবারের কোরবানির জন্য প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখ গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। এর বিপরীতে সম্ভাব্য চাহিদা প্রায় ১ কোটি ১ লাখ গবাদিপশু। ফলে চাহিদার চেয়ে প্রায় ২২ লাখ পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। এই পরিস্থিতিতে বাইরে থেকে কোনো পশু আমদানির প্রয়োজন নেই। দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে অবৈধভাবে গবাদিপশু প্রবেশ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
হাট ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি বলেন, হাটে যেকোনো ধরনের অনিয়ম দূর করতে, ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আর্থিক প্রতারণা রোধে সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। জাল টাকা শনাক্ত করতে বিশেষ ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহারের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।
পশুর হাট পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জেএইচআর