ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬
শিশু রামিসা হত্যা

বিশেষ পিপি নিয়োগ, দ্রুততম সময়ে বিচারের আশা

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২৩, ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম

বিশেষ পিপি নিয়োগ, দ্রুততম সময়ে বিচারের আশা

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসাকে (৭) ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

শনিবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়।

আইন ও বিচার বিভাগের ডেপুটি সলিসিটর (জিপি-পিপি) মো. রফিকুল ইসলামের সই করা আদেশে বলা হয়, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন পল্লবী থানার এই মামলাটি (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পেনাল কোড) রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো। জনস্বার্থে এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

বিশেষ পিপি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু বলেন, রামিসা হত্যা মামলায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সরকারের যে সৎ উদ্দেশ্য রয়েছে, এই নিয়োগ তারই প্রমাণ। বিশেষ পিপি হিসেবে এই হত্যা মামলায় যাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা যায়, সেটাই হবে আমার প্রধান কাজ।

তিনি আরও বলেন, অতীতে দ্রুততম সময়ে এই ধরনের মামলার বিচার সম্পন্নের নজির রয়েছে। রামিসা হত্যা মামলাটির বিচার কাজও যেন দ্রুততম সময়ে শেষ করা যায়, সেই সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে।

এদিকে আজ শনিবার শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ইতোমধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে ডিএনএ রিপোর্ট হস্তান্তর করেছে।

এর আগে গত বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। পরে আদালত তাঁকে ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও পুলিশের আবেদন থেকে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিশু রামিসা ঘর থেকে বের হলে সোহেল রানা জোরপূর্বক তাকে নিজেদের রুমে নিয়ে যান। এরপর বাথরুমে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হলে শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

এই সময় রামিসার মা খোঁজাখুঁজি করে দরজায় কড়া নাড়লে সোহেল রানা শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করেন। পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে ধারালো ছুরি দিয়ে মাথা কেটে শরীর থেকে আলাদা করে বালতিতে রাখা হয় এবং হাত আংশিক বিচ্ছিন্ন করে দেহটি খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। 

এই নৃশংস ঘটনার সময় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারও একই রুমে ছিলেন এবং পরিবারের লোকজনের দাবি, তিনিই কৌশলে শিশুটিকে ফ্ল্যাটে ডেকে এনেছিলেন। ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও পরবর্তী সময়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জেএইচআর

Link copied!