মে ২৮, ২০২৬, ১০:৩৭ পিএম
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কাঁচা চামড়া ব্যবস্থাপনায় এবার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে চামড়া পাচারের আশঙ্কা কার্যত নেই। সরকারের তদারকি ও সমন্বিত উদ্যোগের ফলে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি চামড়া সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাভারের আমিনবাজারে কাঁচা চামড়ার হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে
আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, চামড়া সংগ্রহ ও পরিবহনের প্রতিটি ধাপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যেসব স্থানে চামড়া জমা হয়, সেসব কেন্দ্রের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চালু রয়েছে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল, যেখানে কর্মকর্তারা দিনরাত কাজ করছেন।
তিনি জানান, শুধু ঢাকা নয়- জেলা পর্যায়েও একাধিক টিম মাঠে রয়েছে। জেলা প্রশাসন ও বিসিকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে চামড়া পাচারের সুযোগ বন্ধ করা হয়েছে। ফলে চামড়া ট্যানারি পর্যন্ত নিরাপদে পৌঁছানোর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
চামড়া খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য কেবল কাঁচা চামড়া রপ্তানি নয়, বরং চামড়া থেকে তৈরি পণ্য বিদেশে পাঠিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও কর্মসংস্থান বাড়ানো।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সাভারের কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি)–সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং হাজারীবাগ থেকে স্থানান্তরিত ট্যানারিগুলোর সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
চামড়ার ন্যায্যমূল্য প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোরবানির পর দ্রুত লবণ মাখানো না হলে চামড়া নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
যারা সময়মতো লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করবেন, বাজারে তারাই প্রকৃত দাম পাবেন। সঠিক সংরক্ষণই চামড়া খাতকে লাভজনক ও টেকসই করার মূল চাবিকাঠি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এএন
