ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

২৫ কোটি টাকা ‘খাওয়ার’ অভিযোগের জবাবে যা বললেন আসিফ ও হাসনাত

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ৩১, ২০২৬, ০৮:১৭ এএম

২৫ কোটি টাকা ‘খাওয়ার’ অভিযোগের জবাবে যা বললেন আসিফ ও হাসনাত

কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহর বিপুল অঙ্কের অর্থ নেওয়ার দাবি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়ার এক মন্তব্যের সূত্র ধরে এই বিতর্কের সূত্রপাত। তবে এই অভিযোগের জবাবে পৃথকভাবে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন দুই নেতাই।

শনিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় আসিফ মাহমুদ জানান, কিছু গণমাধ্যমে বিষয়টি এমনভাবে প্রচার করা হয়েছে যেন তারা ব্যক্তিগতভাবে এই অর্থ গ্রহণ করেছেন। অথচ এটি ছিল সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ম মেনে স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ উন্নয়ন বরাদ্দ, যা কোনো ব্যক্তির পকেটে যাওয়ার সুযোগ নেই।

আসিফ মাহমুদের মতে, যেকোনো সরকারি বা রাষ্ট্রীয় বাজেট কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জন্য অনুমোদন হওয়া মানেই তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজে নিয়েছেন বলে ধরে নেওয়া চরম অযৌক্তিক এবং মানহানিকর। উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় বাজেট পাস হওয়া মানে যেমন সরকারপ্রধানের ব্যক্তিগত টাকা নেওয়া নয়, ঠিক তেমনি কোনো অঞ্চলের জন্য বিশেষ উন্নয়ন ফান্ড বরাদ্দ হওয়া মানেই তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যক্তিগত অর্থ নয়।

ভিডিওতে তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের বাজেট থেকে একটি অংশ ‘বিশেষ বরাদ্দ’ হিসেবে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য রাখা হয়। মন্ত্রী, উপদেষ্টা বা সচিবদের অনুমোদনের ভিত্তিতে আবেদন সাপেক্ষে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়, যা জেলা পরিষদ বা পৌরসভার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। এই বরাদ্দের অর্থ কোন কোন খাতে কীভাবে খরচ হবে, তা জেলা পরিষদের সভায় ই-টেন্ডারের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

কুমিল্লা জেলা পরিষদের সভার কার্যবিবরণীর তথ্য উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ জানান, আলোচিত এই অর্থ দিয়ে সোলার লাইট স্থাপন, কর্মসংস্থান তৈরি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আসবাবপত্র কেনা ও মসজিদ সংস্কারের মতো জনকল্যাণমূলক কাজ করা হয়েছে। ফলে এখানে ব্যক্তিগতভাবে কোনো সুবিধা নেওয়ার সুযোগ ছিল না। ভুল তথ্য ছড়ানোর আগে সবাইকে তা যাচাই করার আহ্বান জানান তিনি।

অন্যদিকে, এই অর্থ বিতর্কের প্রেক্ষিতে জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়ার সঙ্গে সরাসরি ফোনালাপ করেন হাসনাত আব্দুল্লাহ, যার একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ফোনালাপে হাসনাত জানতে চান, তার বিরুদ্ধে ‘টাকা খাওয়ার’ কোনো অভিযোগ করা হয়েছে কি না।

উত্তরে মোস্তাক মিয়া দাবি করেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ ব্যক্তিগতভাবে কোনো টাকা খেয়েছেন- এমন কথা তিনি বলেননি। বরং রাজস্ব ও বিশেষ বরাদ্দ মিলিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত দুই নেতার উপজেলায় মোট ২৫ কোটি টাকা (হাসনাতের এলাকায় ১০ কোটি এবং আসিফ মাহমুদের এলাকায় ১৫ কোটি) উন্নয়ন কাজের জন্য দেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যমে তার বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

পুরো বিষয়টি নিয়ে আসিফ মাহমুদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উন্নয়ন কাজের সরকারি বরাদ্দ এবং ব্যক্তিগতভাবে অর্থ নেওয়ার মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত রয়েছে। কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসককে এই বিভ্রান্তিকর বক্তব্য আরও পরিষ্কার করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, অন্যথায় এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রেখেই তারা কাজ করছেন এবং প্রয়োজনে সব তথ্য জনগণের সামনে প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি জানান।

এএন

Link copied!