ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

জুমার দিন কোন সময় গোসল করা সুন্নত, জেনে নিন

ধর্ম ডেস্ক

ধর্ম ডেস্ক

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫, ১২:৩৪ পিএম

জুমার দিন কোন সময় গোসল করা সুন্নত, জেনে নিন

ইসলাম ধর্মে জুমার দিনকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। সাপ্তাহিক ঈদ হিসেবে পরিচিত এ দিনের রয়েছে বহু ফজিলত। এসব ফজিলতের মধ্যে অন্যতম হলো জুমার দিনে সুন্নতি গোসল করা। কখন এ গোসল করা উত্তম, হাদিস ও ফিকহের আলোকে সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

জুমার দিনে গোসল করার প্রতি জোরালো তাগিদ এসেছে প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর বাণীতে। সহিহ বুখারি ও মুসলিমে বর্ণিত রয়েছে—"জুমার দিনে গোসল করা প্রত্যেক বালেগ মুসলিমের ওপর ওয়াজিব (শক্তভাবে সুন্নত)।" এখানে 'ওয়াজিব' শব্দটি জোরালো সুন্নত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ব্যাখ্যা করেছেন মুহাদ্দিসরা।

গোসলের মূল উদ্দেশ্য হলো, শরীরকে পবিত্র রাখা, ঘামের দুর্গন্ধ দূর করা, জামাতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সম্মিলিত ইবাদতের পরিবেশকে সুন্দর করা। এ কারণেই জুমার গোসলকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ফজরের নামাজের পর থেকে জুমার নামাজের সময় প্রবেশের আগ পর্যন্ত যেকোনো সময় গোসল করলে সুন্নত আদায় হয়। তবে এর মধ্যে আছে উত্তম ও আরও উত্তম সময়।

জুমার নামাজে রওনা হওয়ার ঠিক আগে গোসল করা—এটাই সর্বোত্তম। নবী (সা.)-এর সাহাবারা এটাই করতেন। এতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পাওয়া যায়: শরীর সতেজ থাকে এবং মসজিদে বসা মুসল্লিদের জন্য আরামদায়ক হয়, দুর্গন্ধ থেকে অন্যরা কষ্ট পায় না। এ কারণেই অনেক ফুকাহা উল্লেখ করেছেন জুমার উদ্দেশ্যে বের হওয়ার আগে গোসল করা মুস্তাহাব।

যদি কোনো কারণে কেউ দেরি করে ফেলে এবং খুতবা শুরুর পরে গোসল করে, তা আর জুমার সুন্নতি গোসল হিসেবে গণ্য হবে না। তবে পবিত্রতার জন্য গোসল করা বৈধ এবং নামাজ আদায়ে সমস্যা নেই। নারীদের জন্য জুমার গোসল সুন্নত নয়, কারণ তাদের ওপর জুমা ওয়াজিব নয়। শিশুর জন্যও এটি সুন্নত নয়। তবে যারা জুমার নামাজ পড়তে যাবে, তাদের জন্যই এটি সুন্নত।

হাদিসে এসেছে—"যে ব্যক্তি জুমার দিনে গোসল করে, পরিষ্কার হয়ে উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করে এবং মসজিদে যায়, খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনে—তার প্রতিটি পদক্ষেপে এক বছর রোজা ও রাতে নামাজের সওয়াব লেখা হয়।" (সহিহ বুখারি) এ ফজিলত প্রমাণ করে, জুমার দিনে গোসল করা শুধু পরিচ্ছন্নতা নয়, এটি অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।

জুমার গোসলের পাশাপাশি কিছু আমল অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ, পরিচ্ছন্ন পোশাক পরা, সুগন্ধি ব্যবহার করা, দরুদ শরিফ বেশি বেশি পড়া, সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা, আগেভাগে মসজিদে যাওয়া, খুতবা চলাকালে নীরব থাকা।

জুমার দিনটি মুসলিমদের জন্য বিশেষ বরকতের দিন। আদব ও সুন্নতগুলো যথাযথভাবে পালন করলে আত্মিক উন্নতি যেমন হয়, তেমনি সমাজও পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল থাকে। জুমার গোসল সেই সুন্নতগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মুসলিমদের ব্যক্তিগত পবিত্রতার পাশাপাশি জামাতের প্রতি সম্মানের প্রতীক।

ইএইচ/শাহিনুর

Link copied!