ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত ও নিয়ম

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ৭, ২০২৬, ০২:০৭ এএম

তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত ও নিয়ম

নামাজ ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। ফরজ নামাজের পর নফল ইবাদতের মধ্যে তাহাজ্জুদ নামাজ আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম নফল নামাজ হলো রাতের নামাজ, অর্থাৎ তাহাজ্জুদ (মুসলিম, তিরমিজি)।

কোরআনে তাহাজ্জুদের মর্যাদা

পবিত্র কোরআনে শেষ রাতের ইবাদতকারীদের বিশেষ প্রশংসা করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, তারা রাতের সামান্য অংশই ঘুমিয়ে কাটায় এবং শেষ প্রহরে ক্ষমা প্রার্থনা করে (সুরা আয-যারিয়াত: ১৭-১৮)।

এছাড়া সুরা বনি ইসরাইলের ৭৯ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, রাতের কিছু অংশ কোরআন তিলাওয়াতসহ জাগ্রত থাকার জন্য।

আল্লাহ তাআলা প্রিয় নবীকে (সা.) বিশেষভাবে তাহাজ্জুদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, হে চাদরাবৃত! রাতের নামাজে দাঁড়াও, কিছু অংশ ছাড়া (সুরা মুজ্জাম্মিল: ১-২)।

তাহাজ্জুদের ফজিলত

তাহাজ্জুদ নামাজ নবী করিম (সা.)-এর ওপর ফরজ ছিল, তবে উম্মতের জন্য এটি নফল হলেও অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে ইবাদত করার কারণে এর সওয়াবও বেশি।

হাদিসে এসেছে, রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আল্লাহ তাআলা নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে বলেন, কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করব? কে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব? (বুখারি: ১১৪৫)

তাহাজ্জুদের সময়

এশার নামাজের পর ঘুমিয়ে পড়ে রাতের শেষ ভাগে জেগে নামাজ আদায় করাই তাহাজ্জুদ। সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত এর সময় থাকে। সাহরির আগ মুহূর্তকে এ নামাজের উত্তম সময় হিসেবে ধরা হয়।

আদায়ের নিয়ম

তাহাজ্জুদ নামাজ সাধারণত দুই রাকাত করে আদায় করা হয়।

প্রথমে অজু করে দুই রাকাত নামাজ পড়া। এরপর দুই রাকাত করে যত ইচ্ছা নামাজ আদায় করা। নামাজের মাঝে জিকির ও দোয়া করা। রাসুল (সা.) দীর্ঘ কেরাতে নামাজ আদায় করতেন, তাই লম্বা তিলাওয়াত করা উত্তম।

রাকাত সংখ্যা

তাহাজ্জুদ নামাজের নির্দিষ্ট রাকাত নেই। তবে ন্যূনতম চার রাকাত পড়া উত্তম।

হযরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজান ও রমজানের বাইরে সাধারণত ১১ রাকাত (৮ রাকাত তাহাজ্জুদ + ৩ রাকাত বিতর) নামাজ আদায় করতেন (বুখারি)।

তাহাজ্জুদ নামাজ শুধু নফল ইবাদত নয়, বরং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য মাধ্যম। নিয়মিত এই নামাজ আদায় করলে আত্মশুদ্ধি, দোয়া কবুল এবং আখিরাতে বিশেষ মর্যাদা লাভের আশা করা যায়।

এম জি

Link copied!