ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

পশুর যে ৪টি ত্রুটি থাকলে আপনার কোরবানি কবুল হবে না

ধর্ম ডেস্ক

ধর্ম ডেস্ক

মে ২০, ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম

পশুর যে ৪টি ত্রুটি থাকলে আপনার কোরবানি কবুল হবে না

পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে সামর্থ্যবান মুসলমানরা কোরবানির পশু কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কোরবানি কবুল হওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো পশুটি সুস্থ, নিখুঁত ও শরিয়তের নিয়ম অনুযায়ী উপযুক্ত হওয়া।

পশুর মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক ত্রুটি থাকলে তা দিয়ে কোরবানি করা জায়েজ হয় না। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসের আলোকে কোরবানির পশুর এমন কিছু অযোগ্যতা নিচে তুলে ধরা হলো:

যে ৪টি ত্রুটি থাকলে কোরবানি স্পষ্টতই কবুল হয় না-

হাদিস শরিফে স্পষ্ট করে প্রধান চারটি ত্রুটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা থাকলে কোনোভাবেই পশু কোরবানি করা যাবে না। বিখ্যাত সাহাবি হযরত বারা ইবনে আজেব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেন,

"চার ধরনের পশু দিয়ে কোরবানি করা জায়েজ নয়- স্পষ্ট অন্ধ, স্পষ্ট অসুস্থ, স্পষ্ট খোঁড়া এবং এমন দুর্বল লিনকিন পশু যার হাড্ডিতে কোনো মজ্জা বা মগজ নেই।" (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নম্বর: ২৮০২; জামে আত-তিরমিজি, হাদিস নম্বর: ১৪৯৭)

১. অন্ধত্ব: পশুর এক চোখ বা দুই চোখই পুরোপুরি অন্ধ হলে অথবা চোখের দৃষ্টিশক্তি স্পষ্ট খর্ব বা নষ্ট হলে তা দিয়ে কোরবানি হবে না।

২. গুরুতর অসুস্থতা: পশু যদি এমন কোনো রোগে আক্রান্ত হয় যার লক্ষণ প্রকাশ্য এবং এর ফলে মাংস নষ্ট বা বিষাক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে তা কোরবানির অযোগ্য।

৩. স্পষ্ট খোঁড়াত্ব: পশুটি যদি তিন পায়ে ভর দিয়ে চলে এবং চতুর্থ পা মাটিতে ফেলতেই না পারে, অর্থাৎ জবেহ করার স্থান পর্যন্ত হেঁটে যাওয়ার সামর্থ্য না থাকে, তবে তা দিয়ে কোরবানি হবে না।

৪. চরম জীর্ণতা ও দুর্বলতা: পশুটি যদি বার্ধক্য বা পুষ্টিহীনতার কারণে এতটাই দুর্বল হয়ে পড়ে যে তার হাড়ের মজ্জা শুকিয়ে গেছে, তবে সেটি কোরবানি করা যাবে না।

কোরবানির পশুর কান ও শিংয়ের নিখুঁত হওয়ার ব্যাপারেও হাদিসে বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়েছে। হযরত আলী (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের কোরবানির পশুর চোখ ও কান ভালোভাবে দেখে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা যেন এমন পশু কোরবানি না করি যার কানের অগ্রভাগ কাটা, কানের পেছন দিক কাটা, কান লম্বালম্বি চেরা বা কানের মাঝে ছিদ্র থাকে।" (সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নম্বর: ৪৩৭৭)

ইসলামি ফিকাহবিদদের মতে, যদি পশুর কানের বা লেজের অর্ধেকের বেশি অংশ কাটা থাকে, তবে তা দিয়ে কোরবানি আদায় হবে না। আর শিংয়ের ক্ষেত্রে- যদি পশুর শিং জন্মগতভাবেই না ওঠে, তবে তা দিয়ে কোরবানি করা যাবে। কিন্তু শিং যদি এমনভাবে ভেঙে যায় যা পশুর মগজ বা মাথা পর্যন্ত আঘাত করেছে, তবে তা দিয়ে কোরবানি জায়েজ হবে না।

তাই হাটে গিয়ে পছন্দের পশুটি কেনার আগে তার চোখ, কান, পা, দাঁত এবং শিং ভালোভাবে পরীক্ষা করে নেওয়া প্রতিটি মুসলিমের ধর্মীয় দায়িত্ব। নিছক লোকদেখানো বা সস্তা পশু খোঁজার চেয়ে আল্লাহর দরবারে নিখুঁত ও উত্তম পশু উৎসর্গ করাই কোরবানির মূল শিক্ষা।

এএন

Link copied!