ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

জুমার নামাজ ছেড়ে দিলে পেতে হবে যে দুই শাস্তি

ধর্ম ডেস্ক

ধর্ম ডেস্ক

জুন ২৬, ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম

জুমার নামাজ ছেড়ে দিলে পেতে হবে যে দুই শাস্তি

পরপর তিনটি জুমার নামাজ ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিলে একজন মুসলমানকে কঠিন আধ্যাত্মিক পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে বলে সতর্ক করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক ড. মিজানুর রহমান আজহারী। তিনি বলেন, হাদিসে এ ধরনের ব্যক্তির জন্য দুটি কঠোর সতর্কবার্তা এসেছে।

এক মাহফিলে জুমার নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি অবহেলার কারণে টানা তিনটি জুমা ত্যাগ করে, আল্লাহ তার অন্তরে মোহর মেরে দেন। এর ফলে ধীরে ধীরে তার হৃদয় থেকে ঈমানি অনুভূতি ক্ষীণ হতে থাকে। নামাজ, আজান ও ইসলামের শিক্ষা তার কাছে আকর্ষণ হারিয়ে ফেলে, আর দুনিয়াবি ভোগ-বিলাস ও বিনোদনের প্রতি ঝোঁক বাড়তে থাকে।

আজহারী আরও বলেন, হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, পরপর তিনটি জুমা অবহেলা করে ছেড়ে দিলে ওই ব্যক্তির নাম মুনাফিকদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়। তাই কোনো অবস্থাতেই জুমার নামাজকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।

জুমার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি পবিত্র কোরআনের সেই আয়াতের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে মুমিনদের জুমার আজান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হতে এবং বেচাকেনা বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আয়াতে ‘আল্লাহর স্মরণ’-এর অর্থ হলো জুমার খুতবা ও নামাজে অংশগ্রহণ করা। তাই আজানের পর ব্যবসা-বাণিজ্য বা অন্য কোনো পার্থিব কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, ‘ধাবিত হও’ বলতে দৌড়ে মসজিদে যাওয়া বোঝানো হয়নি। বরং রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন, নামাজ শুরু হয়ে গেলেও শান্ত ও ধীরস্থিরভাবে মসজিদে যেতে হবে। যতটুকু জামাত পাওয়া যায় তা আদায় করতে হবে, আর যা ছুটে যাবে তা পরে পূরণ করতে হবে।

খুতবার গুরুত্ব তুলে ধরে ড. মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, কোরআনে খুতবাকে ‘জিকরুল্লাহ’ বা আল্লাহর স্মরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই শুধু নামাজ আদায় নয়, মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনাও প্রত্যেক মুসল্লির দায়িত্ব।

খতিবদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জুমার খুতবা কেবল আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নয়; এটি মানুষের ঈমান জাগ্রত করা, সামাজিক সমস্যা নিয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া এবং কোরআন-সুন্নাহর আলোকে জাতিকে পথ দেখানোর গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তিনি জানান, মহানবী (সা.) মদিনা জীবনে পাঁচ শতাধিক জুমার খুতবা দিয়েছেন, যেখানে সমসাময়িক নানা বিষয় ও সমাজের সমস্যাগুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

শেষে তিনি মুসল্লিদের প্রতি আহ্বান জানান, জুমার দিন আগে মসজিদে গিয়ে খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং যথাযথভাবে জুমার নামাজ আদায় করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

এএন

Link copied!