ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
ভারত ম্যাচ বয়কট

মামলার হুঁশিয়ারি ও সাড়ে তিন কোটি ডলার হারানোর শঙ্কায় পিসিবি

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম

মামলার হুঁশিয়ারি ও সাড়ে তিন কোটি ডলার হারানোর শঙ্কায় পিসিবি

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে হাই ভোল্টেজ ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক ঝুঁকির মুখে পড়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড বা পিসিবি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি পিসিবিকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে কমা ১৫ ফেব্রুয়ারির ওই ম্যাচটি না খেললে টুর্নামেন্টের অফিশিয়াল সম্প্রচারক জিওস্টার পিসিবি ও আইসিসি উভয়ের বিরুদ্ধেই মামলা করতে পারে। 

ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআই এর বরাতে জানা গেছে কমা পাকিস্তান যদি তাদের অবস্থান থেকে সরে না আসে কমা তবে আইসিসি তাদের বাৎসরিক রাজস্বের পুরো অংশ অর্থাৎ প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার কমা যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি কমা তা আটকে দিতে পারে। সম্প্রচারকদের সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতি পূরণ করতেই এই অর্থ ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

পিটিআই জানিয়েছে কমা আইসিসি যখন চার বছরের জন্য সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি করেছিল কমা তখন ভারত পাকিস্তান ম্যাচ ছিল সেই চুক্তির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। সম্প্রচারকরা বিশাল অংকের অর্থ বিনিয়োগই করেছে এই মহারণকে কেন্দ্র করে। এখন পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট করলে এটি সরাসরি চুক্তিভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে।

পিসিবির একটি সূত্র জানায় কমা পাকিস্তান যদি ভারতের বিপক্ষে খেলতে না নামে কমা তবে শুধু আর্থিক জরিমানা বা মামলার ঝুঁকিই নয় কমা আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটিতে গিয়েও কোনো লাভ হবে না। কারণ এই কমিটি আইসিসির নিজস্ব বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আপিল গ্রহণ করে না।

পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কমা আইসিসি কর্তৃক বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে তারা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলবে না। তবে তারা টুর্নামেন্টের অন্যান্য ম্যাচে অংশগ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য কমা নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ দল ভারতে খেলতে যেতে অস্বীকৃতি জানালে গত ২৪ জানুয়ারি তাদের টুর্নামেন্ট থেকে সরিয়ে দেয় আইসিসি। পাকিস্তানই একমাত্র দেশ যারা এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছিল।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী কমা পাকিস্তান যদি ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে মাঠে না নামে কমা তবে ভারত সরাসরি ২ পয়েন্ট পাবে। এ ছাড়া পিসিবিকে খেলা বর্জনকারী দল হিসেবে গণ্য করে ধরে নেওয়া হবে তারা পুরো ২০ ওভার খেলেছে কিন্তু কোনো রান করতে পারেনি। এতে পাকিস্তানের রানরেট আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাবে কমা যা তাদের সেমিফাইনাল স্বপ্নকে শুরুতেই শেষ করে দিতে পারে।

পিসিবির সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি বিশ্লেষণে দেখা যায় কমা বাৎসরিক রাজস্ব বাবদ ৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার হারানোর পাশাপাশি সম্প্রচারক জিওস্টার কর্তৃক আইনি ঝামেলার মুখে পড়তে পারে তারা। এর ফলে টুর্নামেন্টে পয়েন্ট হারানো ও রানরেটের তলানিতে চলে যাওয়ার পাশাপাশি পরবর্তী আইসিসি ইভেন্টগুলো থেকেও বহিষ্কারের ঝুঁকি তৈরি হবে।

পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। বোর্ডের আইনি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ সত্ত্বেও পিসিবি তাদের সরকার নির্দেশিত সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। তারা জানিয়েছে কমা যেকোনো ধরণের গুরুতর শাস্তির জন্য তারা মানসিকভাবে প্রস্তুত। 

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপের প্রধান আকর্ষণই হলো ভারত পাকিস্তান দ্বৈরথ। বাণিজ্যিক ও কৌশলগত কারণে আইসিসি এই অচলাবস্থা নিরসনে এখনো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কোনো পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান না এলে পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী বিপর্যয় হয়ে দেখা দিতে পারে।

জেএইচআর

Link copied!