ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

গ্রুপসেরা হয়েও ‘শাস্তি’ পাচ্ছে জার্মানি

স্পোর্টস ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

জুন ২৭, ২০২৬, ১০:০৪ এএম

গ্রুপসেরা হয়েও ‘শাস্তি’ পাচ্ছে জার্মানি

বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে গ্রুপ পর্বের মূল লক্ষ্যই থাকে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করা, যাতে নকআউট পর্বে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পাওয়া যায়। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের নতুন সমীকরণ ও সূচি নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জার্মানির কোচ ইউলিয়ান নাগলসমান। তাঁর মতে, বর্তমান ফরম্যাটে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়াটাই যেন উল্টো বাড়তি ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং শীর্ষ দলগুলো একপ্রকার ‘শাস্তি’ পাচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে ইকুয়েডরের কাছে ২-১ গোলে হেরে গেলেও ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘ই’ গ্রুপের সেরা দল হিসেবেই নকআউটে পা রেখেছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। এর আগে গত ১৯ জুন আইভরি কোস্টকে হারিয়েই শেষ বত্রিশ নিশ্চিত করেছিল তারা। তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া সত্ত্বেও এখনো পর্যন্ত রাউন্ড অব থার্টি টুর প্রতিপক্ষ কে হচ্ছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানতে পারেনি নাগলসমানের দল।

৪৮ দলের এই নতুন টুর্নামেন্টে গ্রুপ পর্বের সেরা ২৪টি দলের পাশাপাশি তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা ৮টি দলও নকআউট পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। আর এই নিয়মের কারণেই কোন গ্রুপের শীর্ষ দল কার মুখোমুখি হবে, তা জানতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। জার্মানির ক্ষেত্রেও ঠিক একই জটিলতা তৈরি হয়েছে।

সূচি অনুযায়ী, ‘ই’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে জার্মানি নকআউট পর্বের ম্যাচটি খেলবে আগামী ২৯ জুন রাত আড়াইটায়। তাদের প্রতিপক্ষ হবে ‘এ’, ‘সি’, ‘ডি’ বা ‘এফ’ গ্রুপের মধ্যে তৃতীয় হওয়া যেকোনো একটি দল। কিন্তু গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৮ জুন সকাল আটটায়। ফলে নিজেদের নকআউট ম্যাচের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা বা তারও কম সময় আগে প্রতিপক্ষের নাম চূড়ান্তভাবে জানতে পারবে জার্মানি।

সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নির্ধারণে এই দীর্ঘ প্রতীক্ষাকে কোচিং স্টাফদের জন্য অতিরিক্ত মানসিক চাপ হিসেবে দেখছেন জার্মান কোচ। ইকুয়েডর ম্যাচের পর ক্ষোভ প্রকাশ করে নাগলসমান বলেন, আমার মনে হচ্ছে, গ্রুপের শীর্ষে থাকা দলগুলো একধরনের শাস্তি পাচ্ছে। আমরা সম্ভাব্য প্রতিপক্ষদের খেলাগুলো নিজেদের কোচিং স্টাফদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছি। আমি নিজে তিন-চারটি ম্যাচ দেখেছি, বিশ্লেষক দলও দিনরাত কাজ করছে। সামনে আমাদের জন্য নির্ঘুম রাত অপেক্ষা করছে।

অবশ্য এই সূচিকে মাঠের পারফরম্যান্সের জন্য কোনো অজুহাত বানাতে রাজি নন তরুণ এই মাস্টারমাইন্ড। পরিস্থিতি মেনে নিয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিয়ে নাগলসমান বলেন, আমরা চেষ্টা করছি প্রতিপক্ষ বিশ্লেষণের বড় একটা অংশ আগেই সেরে রাখতে, যেন শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি করতে না হয়। আমরা ঠিকই সামলে নেব। আমাদের স্টাফদের বেশির ভাগই তরুণ; প্রয়োজনে আমরা সারা রাত জেগে কাজ করব।

নতুন এই বিশ্বকাপ ফরম্যাট নিয়ে নাগলসমানের এই মন্তব্য ফুটবল মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আগে ৩২ দলের বিশ্বকাপে নকআউটের হিসাব-নিকাশ যতটা সহজ ছিল, ৪৮ দলের আসরে তা বেশ জটিল রূপ নিয়েছে। শুধু জার্মানিই নয়, ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন মেক্সিকো, ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষ দল সুইজারল্যান্ড এবং ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকেও শেষ বত্রিশে নিজেদের প্রতিপক্ষ জানতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

জেএইচআর

Link copied!