ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ভারত-নির্ভর বাণিজ্য থেকে বের হতে পারেনি বাংলাদেশ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৫, ১২:১১ এএম

ভারত-নির্ভর বাণিজ্য থেকে বের হতে পারেনি বাংলাদেশ

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক রাজনৈতিক অস্থিরতা, কূটনৈতিক টানাপড়েন এবং পারস্পরিক বাগ্যুদ্ধে জর্জরিত। তবে অর্থনীতির পরিসংখ্যান বলছে, বাণিজ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারতের প্রভাব এখনও অক্ষুণ্ন। 

খাদ্যশস্য, তুলা, সুতা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশের বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 

ভূ-অর্থনৈতিক একটি দেশের ওপর আরেকটি দেশের এমন অর্থনৈতিক প্রভাব যা কেবল বাণিজ্য সীমাবদ্ধ নয়, বরং কৌশলগত নির্ভরশীলতাও তৈরি করে। 

বাংলাদেশের সীমান্তঘেরা অবস্থান, খাদ্য ও জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা এবং পোশাক শিল্পের কাঁচামাল ভারত থেকে আসার কারণে এই প্রভাব আরও দৃঢ় হয়েছে। শেখ হাসিনার পতনের পর ভারত বাংলাদেশিদের ভিসা প্রদানে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে।

তবে রাজনৈতিক টানাপড়েন থাকা সত্ত্বেও বাণিজ্যিক প্রবাহ স্থিতিশীল থাকে। 

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশে প্রায় ১,১৪৯ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে, যা আগের বছরের ১,১০৭ কোটি ডলারের তুলনায় ৩.৭৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের ক্ষেত্রে ভারতীয় আমদানির গুরুত্ব বিশেষভাবে দেখা যায়। 

চলতি বছরে পেঁয়াজ ও চালের বাজারে ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার ভারতের সহায়তা নিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পেঁয়াজের আমদানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২১১ কোটি ডলার, চালের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি হয়েছে ৩৬১ কোটি ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২,১৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি। তুলা ও সুতা আমদানির ক্ষেত্রেও ভারতের প্রভাব অক্ষুণ্ন। 

২০২৪-২৫ অর্থবছরে তুলা আমদানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,৮০৩ কোটি ডলার, যা আগের বছরের ২,৩৬৯ কোটি ডলারের তুলনায় ১৮.৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি। তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুতা আমদানি ভারত থেকে সামান্য কমলেও অব্যাহত রয়েছে। সমুদ্রবন্দর দিয়ে সুতা আমদানি অব্যাহত থাকায় স্থলবন্দর বিধিনিষেধের প্রভাব সীমিত। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতেও ভারতের ওপর নির্ভরশীলতা রয়ে গেছে। 

বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রায় ১,৭৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভারত থেকে আমদানি করছে, যা মোট চাহিদার ১৫ শতাংশের বেশি। বিভিন্ন জ্বালানি ঘাটতি ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সীমিত সক্ষমতার কারণে ভারতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ দেশের গ্রিডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। 

সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের কিছু দিক পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব। বাণিজ্য চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে চলে, তবে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমস্যা এই সম্পর্ককে প্রভাবিত করে।’

Link copied!