ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আলোচনায় থাকা নেতা এবার ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার

আবু তাহের 

আবু তাহের 

এপ্রিল ৮, ২০২৬, ০৮:২০ পিএম

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আলোচনায় থাকা নেতা এবার ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার

ভারতের জাতীয় রাজনীতির পরিচিত মুখ এবং এক সময় দেশটির রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় থাকা আরিফ মোহাম্মদ খানকে বাংলাদেশে পরবর্তী ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার খবর কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।

চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় রাজনীতিতে থাকা এই অভিজ্ঞ নেতা ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সময়ে কংগ্রেসসহ একাধিক দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পর সর্বশেষ তিনি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হন এবং বিহারের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

আরিফ মোহাম্মদ খান ভারতের রাজনীতিতে বিশেষভাবে আলোচিত হন শাহ বানু মামলার সময় তার অবস্থানের কারণে। সে সময় তিনি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পক্ষে সংসদে শক্ত অবস্থান নেন। কিন্তু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর সরকার রাজনৈতিক কারণে ভিন্ন অবস্থান নিলে তিনি মন্ত্রিসভা ও কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন।

পরবর্তীতে তার এই সিদ্ধান্তকে নীতির প্রশ্নে আপসহীন অবস্থান হিসেবে দেখা হয় এবং তার রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়ে। এরপরও তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় থাকেন এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

এমন একজন উচ্চপ্রোফাইল রাজনীতিবিদকে বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্তকে অনেকেই ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিকভাবে অভিজ্ঞ একজন প্রতিনিধিকে পাঠানোর মাধ্যমে দিল্লি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে চাইতে পারে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, তার অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক মর্যাদা বিবেচনায় তাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েই এই দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

তবে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ একজন রাজনীতিবিদকে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

আরিফ খান বাংলাদেশে হাইকমিশনার হয়ে এলে তার পদমর্যাদা কী হবে? সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তাকে হয়ত পাঠানো হবে ভারতের কেন্দ্রীয় পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে। এর কম দেওয়াটা তার ক্ষেত্রে মানায় না। 

আরিফ মোহাম্মদ খানের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিবিদকে কেন বাংলাদেশে হাইকমিশনার করে পাঠানো হচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা চলছে বাংলাদেশ ও ভারতে।

জেএইচআর

Link copied!