ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

আদাবরে ঢাবি শিক্ষার্থী পহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৯

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ৩, ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম

আদাবরে ঢাবি শিক্ষার্থী পহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৯

রাজধানীর শ্যামলী ও আদাবর এলাকায় সক্রিয় একটি অপহরণ ও ছিনতাই চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী সাদমান সাকিবকে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন জাহিদ হোসেন (২০), হোসাইন আহম্মদ ওরফে সিফাত (২৫), ইয়াছিন ওরফে আজমান (২৭), আরিফুল ইসলাম (২৩), মাহিম চৌধুরী আকাশ (২০), সাকিব (২৪), সোহেল রানা (২৪), মো. নাঈম (২৩) এবং মো. মর্তুজা তামিম (২৬)।

পুলিশ জানায়, কয়েক দিন আগে রাত ১১টার দিকে শ্যামলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সাদমান সাকিবকে কয়েকজন যুবক দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে একটি সরু গলিতে নিয়ে যায়। সেখানে তার মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে তার পরিবারের কাছে বিকাশের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. ফজলুল করিম বলেন, ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে টহল পুলিশ যাওয়ার সময় ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে দ্রুত সেখানে পৌঁছে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় জাহিদ হোসেনকে আটক করা হয় এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে আরও আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, চক্রটি আদাবর এলাকায় ভোরের দিকে ব্যবসায়ীরা যখন বাজারে মালামাল আনতে যান, তখন একা থাকা ব্যক্তিদের টার্গেট করত। তাদের মধ্যে জাহিদই মূল পরিকল্পনাকারী। তার পাশাপাশি আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় মামলা হয়েছে। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। একই সঙ্গে চক্রটির অন্য সদস্যদের খুঁজে বের করা, আরও কোনো ঘটনা রয়েছে কি না তা যাচাই এবং ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করার কাজ চলছে।

চক্রটি ভুক্তভোগীর মোবাইল ব্যবহার করে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করত এবং বিকাশের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিত। পরে সেই টাকা ক্যাশআউট করে ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন স্থানে ফেলে রেখে চলে যেত বলেও জানায় পুলিশ।

এম জি

Link copied!