ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে রিকশা থেকে পড়ে নারীর মৃত্যু

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ১২, ২০২৬, ০৮:১৯ পিএম

ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে রিকশা থেকে পড়ে নারীর মৃত্যু

রাজধানীতে চলন্ত রিকশায় ছিনতাইকারীর ব্যাগ ধরে টানাহেঁচড়ার সময় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হওয়া সোহেলি ইসলাম (৪২) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গত রোববার (৮ জুন) ভোরে দিনাজপুর থেকে ঢাকা ফেরার পথে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে তিনি এই ছিনতাইয়ের শিকার হন। চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত সোহেলি ইসলাম এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসের মেডিকেল সার্ভিস অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান শেষে গত শনিবার রাতে মেয়েকে নিয়ে দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে বাসে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন সোহেলি। রোববার ভোরে গাবতলীতে নেমে তিনি রিকশাযোগে বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত তাঁর হাতে প্যাঁচানো ভ্যানিটি ব্যাগ ধরে হ্যাঁচকা টান দেয়। এতে তিনি চলন্ত রিকশা থেকে সড়কে ছিটকে পড়েন। ফলে তাঁর ডান হাত ভেঙে যায় এবং মাথার পেছনে গুরুতর আঘাত লেগে কান দিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। ওই দিন বিকেলেই পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পশ্চিম টেংরী এলাকায় নানাবাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।

স্বজনরা জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে বিবাহবিচ্ছেদের পর একমাত্র মেয়ে সুমাইয়া আলমকে নিয়ে সংগ্রাম করে জীবন পার করছিলেন সোহেলি। কয়েক বছর আগে তিনি নিজের বাবা-মাকেও হারান। মায়ের এমন আকস্মিক ও নৃশংস মৃত্যুতে একমাত্র মেয়ে সুমাইয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

সোহেলির ভগ্নিপতি তরিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। প্রথমে আশপাশের মানুষের তেমন সাড়া না মিললেও পরে রিকশাচালক ও স্থানীয় একজনের সহায়তায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণেই শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা দায়ের করা না হলেও স্বজনরা জানিয়েছেন, শোকের পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার পর তাঁরা আইনগত পদক্ষেপ নেবেন।

জেএইচআর

Link copied!