Amar Sangbad
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ২০ মাঘ ১৪২৯

উলিপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার অভিযোগ

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

নভেম্বর ৩০, ২০২২, ০৮:১৮ পিএম


উলিপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার অভিযোগ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে, বুধবার (৩০ নভেম্বর) উপজেলার জুম্মাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে। এ ঘটনায় বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিন বুধবার দুপুরে জুম্মাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের গেট সংলগ্ন একটি পুরাতন শিশু কাঠগাছ দুইজন শ্রমিকের মাধ্যমে কাটা (কর্তন) হচ্ছে। বিদ্যালয় ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালেও কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া একটি কাঁঠাল ও একটি হেনাইচ (অচিনগাছ) গাছ কেটে নেন প্রধান শিক্ষক। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিজের খেয়াল খুশিমত এভাবে একের পর এক বিদ্যালয়ের গাছ কাটায় এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, ওই প্রধান শিক্ষকের স্বামী জাহাঙ্গীর আলম বর্তমানে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি। সে কারণে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে প্রধান শিক্ষক যা ইচ্ছা তাই করছেন। বর্তমানে যে গাছটি কর্তন করা হচ্ছে তার বাজার মূল্য প্রায় ১৫ (পনেরো) হাজার টাকা।

এ বিষয়ে জুম্মাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ আখতার জাহান গাছ কর্তনের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের গেট নির্মাণের কারণে গাছটি কর্তন করা হচ্ছে। পরে গাছটি নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করা হবে। এছাড়া গাছকাটার ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি রেজুলেশন রয়েছে। 
এ সময় রেজুলেশন দেখতে চাইলে তিনি বলেন, রেজুলেশন খাতাটি বাড়িতে আছে। জীবিত গাছ কাটার ব্যাপারে বন বিভাগের অনুমতি নেয়া আছে কি না জানতে চাইলে তিনি তার সদুত্তর দেননি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ মোঃ তারিকুল ইসলাম জানান, ওই বিদ্যালয়ের গাছ কর্তনের বিষয়ে আমি কিছু জানি না।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গাছ কাটার অনুমোদন দিতে পারে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আলাদা কমিটি রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করতে হবে। এরপর নির্ধারিত কমিটি সরেজমিন তদন্ত করে বিষয়টির সিদ্ধান্ত নিবেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শোভন রাংসা বলেন, ওই বিদ্যালয়ের গাছকাটার বিষয়ে আমি অবগত নই।

এসএম

Link copied!