ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

যশোরে বৈধ অস্ত্র জমা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি বিএনপির

এম এ রহমান, যশোর থেকে

এম এ রহমান, যশোর থেকে

আগস্ট ১১, ২০২৪, ০৬:৪৭ পিএম

যশোরে বৈধ অস্ত্র জমা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি বিএনপির

বিএনপির জাতীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন,  যশোরে বৈধ অস্ত্র জমা নেয়া এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে।

একই সাথে তিনি কিশোর গ্যাং ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আটকের দাবি জানিয়েছেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বিভিন্ন এলাকায় ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ নেতাদের লালিত পালিত কিশোর গ্যাং মাথাচাড়া দিচ্ছে। ফিরে আসছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। এদেরকে যদি এখন আটক না করলে তারাই নানা ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে অন্যদের উপর দায় চাপাবে।

তিনি যশোরে হোটেল জাবিরে আগুন দেয়ার ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং তদন্ত প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানান।

রোববার দুপুরে প্রেস ক্লাব যশোরে আয়োজিত জেলা বিএনপির প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

 

বিএনপির এই নেতা বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর যশোরে হিন্দু সম্প্রদায়সহ আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িঘর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিএনপির নেতা-কর্মীরা রাত জেগে পাহারা দিয়েছে। তারপরও বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। এটি ১৭ বছরের অত্যাচার নির্যাতনের প্রতিক্রিয়া। বিএনপির হাতে তো প্রশাসনিক ক্ষমতা নেই যে, চাইলে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। তারপরও চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, ৫ আগস্ট রাত থেকে ভোর পর্যন্ত যশোর শহরে হিন্দু সম্প্রদায়ের একজনের বাড়ি পাহারা দেয় বিএনপির লোকজন। সেই ব্যক্তিও শনিবার মন্দির ও বাড়িঘরে হামলার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অংশ নেন। কেবল তাই না, সমাবেশে অংশ নেয়া অনেকেই তাকে ফোন করে বলেছেন, তাদেরকে ভুল বুঝিয়ে নেয়া হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করা হয়, হোটেল জাবিরে আগুন ধরার পর অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নেতৃত্বে উদ্ধার অভিযান, জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করা হয়। এখনো দু’টি ওষুধের দোকান থেকে বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে। ঘটনার দিন জেনারেল হাসপাতালের সুপারকে হাসপাতালে এসে চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করতে বলা হলেও তিনি নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে আসেননি। এ কারণে ডাক্তারের ব্যবস্থা করতে হয় অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে। এখনো পর্যন্ত বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের অনেকের নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম, যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সদস্য সচিব সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাড. মোহাম্মদ ইসহক, মিজানুর রহমান খান, মারুফুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, আনিছুর রহমান মুকুল, মুনির আহম্মেদ সিদ্দিকী বাচ্চু প্রমুখ।

ইএইচ

Link copied!