ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

পেঁপে ও আলু ছাড়া সব নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বি, ক্রেতাদের নাভিশ্বাস

কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

আগস্ট ২৪, ২০২৫, ০৪:০৩ পিএম

পেঁপে ও আলু ছাড়া সব নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বি, ক্রেতাদের নাভিশ্বাস

নেত্রকোণার কেন্দুয়ার বাজারে হঠাৎ বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। গোল আলু ও পেঁপে ছাড়া প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম এক-দুদিনের ব্যবধানে দ্বিগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, আর ক্রেতারা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

গত কয়েকদিনের মধ্যে কাঁচামরিচ, পেঁয়াজ, ডিম, মাছ ও বিভিন্ন সবজির দাম হু-হু করে বেড়ে গেছে। মানুষের আয় না বাড়লেও খরচ বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। 

ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রশাসনের মনিটরিং দুর্বল থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সুযোগ নিয়ে বাজার অস্থিতিশীল করে তুলছে।

গ্রীষ্মকালে শাকসবজি, ডিম, মুরগি ও মাছের উৎপাদন কম হয়। বর্ষায় তা আরও কমে যায়। পাশাপাশি টানা বৃষ্টিতে সবজির অনেকটাই নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ কমে গেছে।

সরেজমিনে কেন্দুয়া পৌরসভা কাঁচাবাজার ও বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজার ঘুরে দেখা যায়— করলা ১০০ টাকা, পটল ৮০, শসা ৮০, শিম ২৬০, মুখি কচু ৬০, কাকরোল ৮০, গোল আলু ২৫ ও পেঁপে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গোল আলু ও পেঁপে ছাড়া প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।

তিন মাস আগে কাঁচামরিচের দাম কেজিপ্রতি ৪০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। কিছুদিন আমদানি ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকিতে তা কমলেও এখন আবার চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। গত কয়েকদিন আগেও প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১৫০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২২০–২৪০ টাকায় পৌঁছেছে।

পাইকারি ব্যবসায়ী উজ্জ্বল খন্দকার বলেন, “টানা বৃষ্টির কারণে কাঁচামরিচের সরবরাহ কমেছে। তাই দাম বেড়েছে।”

বাজার করতে আসা ক্রেতা সোহেল আহমেদ বলেন, “এখন কাঁচামরিচের দাম হওয়া উচিত ছিল ২০ টাকা পোয়া (২৫০ গ্রাম), অথচ কিনতে হচ্ছে ৬০ টাকায়। বিক্রেতারা অজুহাত দেন— আমদানি হয়নি বা আড়ত থেকে আসেনি।”

খুচরা বিক্রেতা আবুল কালাম জানান, “আমরা বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করি। কম দামে পেলে আমরাও কম দামে বিক্রি করতাম।”

পেঁয়াজের দামও বেড়েছে কেজিতে ১৫–৩০ টাকা। রোয়াইলবাড়ী বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০–৮০ টাকায়। ক্রেতা সিদ্দিক বলেন, “আগে ৫০–৬০ টাকায় কিনলেও এখন ৮০ টাকা দিচ্ছি। কিন্তু আমাদের আয় তো বাড়ছে না।”

কেন্দুয়া বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. লাইমুন হোসেন ভূঞা বলেন, “বর্তমানে সব ধরনের সবজি, ডিম, মাছ ও মুরগির দাম বেড়েছে। যা মানুষের আয়ের সঙ্গে বেমানান। বাজারে নিয়ন্ত্রণ আনতে প্রশাসনের মনিটরিং জোরদার করতে হবে।”

এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমদাদুল হক তালুকদার বলেন, “আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছি। তবে মৌসুম ও অতিবৃষ্টির কারণে উৎপাদন কমে যাওয়ায় সবজির দাম বেশি হচ্ছে।”

ইএইচ

Link copied!