ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

১৩ লাখ ঘনফুট সাদাপাথর প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায়

সিলেট প্রতিনিধি

সিলেট প্রতিনিধি

আগস্ট ২৬, ২০২৫, ০২:০৬ পিএম

১৩ লাখ ঘনফুট সাদাপাথর প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায়

প্রশাসনের আলটিমেটামের পর লুণ্ঠিত সাদাপাথর ফেরত দেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সিলেট সদর উপজেলার ভোলাগঞ্জ, সালুটিকর ও কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে জব্দকৃত এবং স্বেচ্ছায় ট্রাক দিয়ে পাথর ফেরত দিচ্ছেন অনেকেই।

সোমবার অন্তত ২০০ ট্রাকে প্রায় ৩ লাখ ঘনফুট পাথর ফেরত দেওয়া হয়েছে। 

এ নিয়ে প্রশাসনের ডাম্পিং এলাকায় প্রতিস্থাপনের জন্য প্রায় ১৩ লাখ ঘনফুট পাথর স্তুপ করে রাখা হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিন মিয়া জানান, সোমবার পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬ লাখ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়েছে। পাথর প্রতিস্থাপনে অতিরিক্ত ২০০-রও বেশি শ্রমিক ব্যবহার করা হচ্ছে।

নবাগত জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম স্বেচ্ছায় লুণ্ঠিত পাথর ফেরত দেওয়ার জন্য ৩ দিনের আলটিমেটাম দেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে মজুতকৃত সাদাপাথর নিজ খরচে ভোলাগঞ্জে প্রশাসনের কাছে জমা দিলে বিনাশর্তে দায়মুক্তি পাওয়া যাবে। তবে সময়সীমার পর কারও কাছে পাথর পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘোষণা ও মাইকিং করার পর থেকেই পাথর ফেরত দেওয়ার হিড়িক পড়ে।

ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর ঘাটে পাথর জমা দিচ্ছেন ট্রাক চালকরা। তারা জানান, লুণ্ঠিত পাথর বিভিন্ন ক্রাশার মেশিন থেকে সংগ্রহ করে আবার নৌকাযোগে এনে সাদাপাথরে ফেলা হচ্ছে।

ঘাটে পাথর বুঝে নেওয়ার দায়িত্বে থাকা কোম্পানীগঞ্জ তহশিল অফিসের চেইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, “গতকাল প্রায় ২ লাখ ঘনফুট পাথর ফেরত দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুর পর্যন্ত ২২টি গাড়ি পাথর খালাস হয়েছে, তবে লাইনে অন্তত ২০০ গাড়ি অপেক্ষায় আছে।”

সোমবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর বিস্তীর্ণ এলাকায় নজিরবিহীনভাবে সাদাপাথর লুট হয়েছে। ফলে এলাকাটি এক প্রকার মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল বারি বলেন, বর্তমানে যে পরিমাণ পাথর ফেরত এনে প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে, তা লুণ্ঠনের তুলনায় অতি সামান্য। তবে প্রশাসনের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

এদিন শতাধিক নৌকা দিয়ে শ্রমিকরা সাদাপাথরের লুণ্ঠিত স্থানে পাথর ফেলতে দেখা গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিন মিয়া নিজে উপস্থিত থেকে প্রতিস্থাপন কার্যক্রম তদারকি করেছেন। খনি ও খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর এক কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেন।

ইউএনও রবিন মিয়া আরও জানান, সোমবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৫ লাখ ঘনফুট পাথর প্রতিস্থাপন হয়েছে। ডাম্পিং স্টেশন থেকে প্রতিদিনই নৌকা দিয়ে পাথর এনে প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। সদরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও পাথর আনা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, “সপ্তাহ শেষে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে। পুরো এলাকায় প্রতিস্থাপন কাজ শেষ হলে সাদাপাথর তার নান্দনিক রূপে ফিরবে, যা পর্যটকদের জন্য বড় আকর্ষণ হবে।”

ইএইচ

Link copied!