বাগেরহাট প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৫, ১২:১১ পিএম
বাগেরহাটের চারটি আসন বহালের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি করেছে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা।
রোববার সকাল থেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে নেতাকর্মীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নেয়।
পরে মিছিল নিয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে যায়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেন মিছিলকারীরা। তারা বাগেরহাটে চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে নানা স্লোগান দিতে থাকেন। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রধান ফটকে ঘেরাও করেন মিছিলকারীরা।
শুধু জেলা শহরে বাগেরহাটের ৯টি উপজেলায়ও একইভাবে নির্বাচন অফিস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়সহ সরকারি অফিসের সামনে অবস্থান করেছে সর্বদলীয় কমিটির নেতা-কর্মীরা। এই কর্মসূচি চলবে বিকেল পর্যন্ত।
সীমানা পরিবর্তনে বাগেরহাটবাসী এই সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেবে না। আমরা আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব। স্বল্প সময়ের মধ্যে উচ্চ আদালতে রিট করা হবে বলে জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এ্যাড, ওয়াহিদুজ্জামান দিপু।
তিনি বলেন, আমরা উচ্চ আদালতে রিট করার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। আশা করি আগামী সপ্তাহে শুনানি হবে। আমরা কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পাব।

গেল ৩০ জুলাই দুপুরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি আসন কমিয়ে জেলায় তিনটি আসন করার প্রাথমিক প্রস্তাব দেয়। এরপর থেকেই বাগেরহাটবাসী আন্দোলন শুরু করে। চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন বাগেরহাটবাসী। এরপরেও ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন শুধু সীমানা পরিবর্তন করে তিনটি আসনইজারি রেখে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। নির্বাচন কমিশনের এই আসনবিন্যাস গণমানুষের দাবিকে উপেক্ষা করেছে বলে জানান সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা।
চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, বাগেরহাট-১ (বাগেরহাট সদর-চিতলমারী-মোল্লাহাট), বাগেরহাট-২ (ফকিরহাট-রামপাল-মোংলা) ও বাগেরহাট-৩ (কচুয়া-মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা)। দীর্ঘদিন থেকে ৪টি আসনে নির্বাচন হয়ে আসছিল।
তখনকার সীমানা: বাগেরহাট-১ (চিতলমারী-মোল্লাহাট-ফকিরহাট), বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর-কচুয়া), বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা)।
জেএইচআর