ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

দেওয়ানগঞ্জে ভুয়া এনজিও কর্মকর্তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ

দেওয়ানগঞ্জ, (জামালপুর) প্রতিনিধি

দেওয়ানগঞ্জ, (জামালপুর) প্রতিনিধি

অক্টোবর ২, ২০২৫, ০৪:৫৪ পিএম

দেওয়ানগঞ্জে ভুয়া এনজিও কর্মকর্তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ফজলুল হক (৪০) নামে এক ভুয়া এনজিও কর্মকর্তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন পাররামরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সেলিম মিয়া জে, কে।

ফজলুল হক গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের বেতারা গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে। জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে তিনি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার তারাটিয়া শেখপাড়া গ্রামে ‘ডিএনবি (ডেভলপমেন্ট নেটওয়ার্ক ইন বাংলাদেশ)’ নামের একটি এনজিওর শাখা অফিস খোলেন। মাসিক ভাড়ায় নেয়া দুই কক্ষের ওই অফিস থেকে তিনি সুদবিহীন ঋণ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন গ্রামে মহিলাদের দিয়ে কমিটি গঠন করেন।

প্রতিটি কমিটিতে ১০-১৫ জন করে সদস্য করে সপ্তাহে ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে সঞ্চয় সংগ্রহ করতেন। গ্রাহকদের তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, ওই সঞ্চয় ও ঋণের মাধ্যমে ছাগল, গরু, সেলাই মেশিনসহ বিভিন্ন সম্পদ কেনার সুযোগ করে দেবেন। কিন্তু সপ্তাহের পর সপ্তাহ মাসের পর মাস পেরোলেও কেউ ঋণ কিংবা সঞ্চিত টাকা উত্তোলন করতে না পারায় গ্রাহকদের সন্দেহ হয়।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর উপজেলার সীমান্তবর্তী বেলুয়ারচর এলাকায় সঞ্চিত টাকা ফেরত চাইলে স্থানীয়রা ফজলুল হককে আটক করে ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে হস্তান্তর করেন। একদিনের মধ্যে টাকা ফেরত ও এনজিওর বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বলা হলেও তিনি ব্যর্থ হন। পরে বুধবার রাতে চেয়ারম্যান মো. সেলিম মিয়া জে,কে তাকে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় সোপর্দ করেন।

ভুক্তভোগী রওশন আরা (৩২) বলেন, আমি প্রতি সপ্তাহে ৫০ টাকা করে জমা দিচ্ছিলাম। উনি বলেছিলেন ঋণ পেলে গরু কিনে জীবিকা চালাবো। এখন টাকাগুলো ফেরত পাবো কিনা বুঝতে পারছি না।

আরেক ভুক্তভোগী নাজমা খাতুন (২৮) বলেন, আমরা বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছি। তিনি বারবার বলেছেন ঋণ দিলে সেলাই মেশিন কিনে দিবেন। এখন সব টাকা হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় আছি।

ভুক্তভোগী আব্দুল জলিল (৪৫) জানান, আমার স্ত্রীকে দিয়ে কমিটিতে রেখেছিলাম। ভেবেছিলাম সুদ ছাড়া ঋণ পেলে ছাগল কিনবো। কিন্তু তিনি প্রতারণা করেছেন। প্রশাসনের কাছে আমরা টাকা ফেরতের দাবি জানাই।

এ ঘটনায় গোলাম খাজা নামে এক ভুক্তভোগী বাদী হয়ে পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল হাসান জানান, প্রতারণার মামলায় ফজলুল হককে বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!