ফেনী প্রতিনিধি
অক্টোবর ১৮, ২০২৫, ০১:২৪ পিএম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরী আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেছেন, পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলে মনোনয়ন বাণিজ্য, কালো টাকার প্রভাব দূর হয়ে জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা গড়ে উঠবে
তিনি বলেন, পুরনো বন্দোবস্তে ফিরে যাওয়া জুলাইয়ের রক্তের সাথে বেইমানি হবে। জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিয়ে এর মাধ্যমে নির্বাচন দিতে হবে। একটি বড় দল পিআার পদ্ধতি জনগণ বোঝে না বলে জনগণকে অবমূল্যায়ন করছে।
শনিবার সকালে ফেনী শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জেলা জামায়াতের রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জেলা আমীর মাওলানা মুফতি আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারী মাওলানা আবদুর রহিমের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও ফেনী-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও ফেনী-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক আবু ইউসুফ এবং অপর জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা মাহমুদুল হক।
কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, মুসলমানদের এ দেশে আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন ছাড় প্রকৃত সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। তাই সৎ লোক তৈরীর কারখানা জামায়াতে ইসলামীর সৎ, যোগ্য ও মানবতার কল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীদের প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে প্রতিটি ঘরে দাওয়াত পৌঁছাতে হবে।
অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, দুনিয়ার কল্যাণের পাশাপাশি আখেরাতের কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী কাজ করে যাচ্ছে। ক্ষমতায় যাওয়া জামায়াতের একমাত্র লক্ষ্য নয়। তবে আল্লাহর পক্ষ থেকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে তাকে আমরা আমানত হিসেবে গ্রহণ করে দেশের মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকবো।
ডা. ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, কোন আধিপত্যবাদী শক্তি যেন এ দেশের ইসলামী ও দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্য প্রক্রিয়া বানচাল করতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। একই সাথে আমাদের কথা ও কাজে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মুফতি আবদুল হান্নান বলেন, দেশবাসী ফ্যাসিবাদের যাঁতাকল থেকে মুক্ত হয়ে স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলার আগেই আবার নতুন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। এজন্য তারা জামায়াত প্রার্থীদের ভোট দেয়ার জন্য মুখিয়ে আছে। ডাকসু, জাকসু, চাকসু ও রাকসু নির্বাচন তার প্রমাণ।
জেএইচআর