ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ময়মনসিংহে ‘অলিম্পিক ভিলেজ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম

ময়মনসিংহে ‘অলিম্পিক ভিলেজ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের অবকাঠামো উন্নয়নে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হলো ময়মনসিংহের ত্রিশাল। 

রোববার দুপুরে ত্রিশালে প্রস্তাবিত দেশের প্রথম আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের ‘অলিম্পিক ভিলেজ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান এবং বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সভাপতি জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। 

এই প্রকল্পটি দেশের ক্রীড়া খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ত্রিশালে এই বিশাল প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রায় ১৭৩ একর জমির ওপর নির্মিতব্য এই ‘অলিম্পিক কমপ্লেক্স’ বা ভিলেজটি হবে দেশের অ্যাথলেটদের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণের প্রাণকেন্দ্র। 

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, এই প্রকল্পটি কেবল ইট-পাথরের কোনো স্থাপনা নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক মানের অ্যাথলেট তৈরির একটি আঁতুড়ঘর হবে। এখানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমাদের খেলোয়াড়রা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পতাকাকে আরও উঁচুতে তুলে ধরার শক্তি পাবে।

প্রকল্পটিতে ইনডোর স্টেডিয়াম, সুইমিং পুল, খেলোয়াড়দের জন্য বিশ্বমানের আবাসন ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের জন্য আলাদা অনুশীলনের সুযোগ থাকবে।

ত্রিশালে যাওয়ার আগে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় ময়মনসিংহ বিভাগের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, অসামরিক প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সেনাপ্রধান সেনা সদস্যদের প্রতি চার দফা মূলনীতি মেনে চলার কঠোর নির্দেশ দেন:

পেশাদারিত্ব: অর্পিত দায়িত্ব পালনে কোনো ত্রুটি করা চলবে না।

নিরপেক্ষতা: সকল রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর ক্ষেত্রে সমান ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখতে হবে।

শৃঙ্খলা: সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও মান বজায় রেখে কাজ করতে হবে।

ধৈর্য: যেকোনো উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ধৈর্যশীল থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

সেনাপ্রধান জোর দিয়ে বলেন, জনসাধারণের আস্থা অর্জনই আমাদের বড় সাফল্য। প্রতিটি সেনা সদস্যকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নাগরিকবান্ধব আচরণ প্রদর্শন করতে হবে।

মতবিনিময় সভা শেষে তিনি ময়মনসিংহে মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের বিভিন্ন কার্যক্রম সশরীরে পরিদর্শন করেন। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীর গৃহীত পদক্ষেপগুলোর খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্বরত সদস্যদের প্রয়োজনীয় কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

সেনাপ্রধানের এই সফর একই সাথে দেশের ক্রীড়া উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার নিরাপত্তায় সেনাবাহিনীর অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করেছে। ত্রিশালের অলিম্পিক ভিলেজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে তা বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসে এক মাইলফলক হয়ে থাকবে।

এএন

Link copied!