ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

পদ্মা-মেঘনায় দুই মাস ইলিশসহ সব ধরণের মাছ ধরা নিষেধ

চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম

পদ্মা-মেঘনায় দুই মাস ইলিশসহ সব ধরণের মাছ ধরা নিষেধ

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জাটকা সংরক্ষণের লক্ষ্যে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশ সহ সবধরণের মাছ ধরা নিষেধ।

২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার দিনগত রাত ১২টার পর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। এ সময় মাছ আহরন, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও মজুদ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

জেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, জাটকা সংরক্ষণের জন্য জেলার মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার নদী অভয়াশ্রম এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। এসব এলাকার প্রায় ৪৭ হাজার নিবন্ধিত জেলে নদীতে মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকবে। আর বেকার হয়ে পড়া এসব জেলের মধ্যে ৩৯হাজার ৪০০ জেলেকে দেয়া হচ্ছে বিজিএফের চাল। তারা ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ৪ মাস ৪০ কেজি করে ১২০ কেজি চাল পাবে।

সরেজমিন সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের বহরিয়া মেঘনা উপকূলীয় জেলে পল্লী এলাকায় বেশ কয়েকজন জেলের সাথে কথা হয়। তাদের মধ্যে জেলে জাহাঙ্গীর হোসেন শেখ বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় তারা জাল ও নৌকা ডাঙায় উঠিয়ে রাখেন। কিন্তু তাদের যে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয় এতে তাদের সংসার চলে না।

একই এলাকার জেলে আলী আক্কাছ মাঝি বলেন, মাছ আহরণ করে আমাদের জীবীকা নির্বাহ হয়। অবসর সময়ে বরাদ্দকৃত খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। কারণ শুধু চালে সংসার চালেনা। সন্তানদের পড়া লেখা ও ঋণের কিস্তি নিয়ে আমাদের বিপাকে পড়তে হয়।

চাঁদপুর সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, জাটকা সংরক্ষণে পদ্মা-মেঘনার অভয়াশ্রম এলাকায় সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবে জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স। আইন অমান্য করে জাটকা ধরা হলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে।

নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ মোশফিকুর রহমান বলেন, ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস জাটকা ধরা বন্ধে নৌ পুলিশ সক্রিয় থাকবে। নৌ সীমানার মধ্যে যদি কোনো জেলে আইন অমান্য করে নদীতে নেমে জাটকা নিধন করে তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জেলা প্রশাসক ও জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি মো. নাজমুল ইসলাম সরকার বলেন, ইলিশের স্থায়িত্বশীল উৎপাদন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়, যার মধ্যে জাটকা সংরক্ষণ অন্যতম। জাতীয় স্বার্থে অংশীজনদের আরো তৎপর হতে হবে। তিনি জেলেদের জাটকা ধরা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান।

ইলিশ গবেষক ড. আনিছুর রহমান বলেন, জাটকা সংরক্ষণে সকলকে সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ আজকের জাটকা আগামী দিনের ইলিশ। জাটকা সংরক্ষণ হলে এর সুফল জেলেসহ সকলেই পাবে।

জেএইআর

Link copied!