ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণের অভিযোগে হবিগঞ্জে গ্রেপ্তার নুরুল হক

মীর মো. আব্দুল কাদির, হবিগঞ্জ

মীর মো. আব্দুল কাদির, হবিগঞ্জ

মার্চ ৯, ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম

পর্নোগ্রাফি ও ধর্ষণের অভিযোগে হবিগঞ্জে গ্রেপ্তার নুরুল হক

হবিগঞ্জের বাহুবল ও চুনারুঘাটে মানবাধিকার সংগঠনের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে অসহায় নারীদের ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেইল এবং পর্নোগ্রাফি চক্রের মূল হোতা নুরুল ইসলাম ওরফে নুরুল হককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৯। 

রোববার সন্ধ্যায় র‍্যাব-৯-এর শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল চুনারুঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃত নুরুল হক বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের লাকুড়ীপাড়া গ্রামের আলী হোসেনের পুত্র। তিনি নিজেকে ‘বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা’র সিলেট বিভাগীয় সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুরুল হক ‘দরিদ্র কল্যাণ সংস্থা’ ও ‘মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা’র আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে এক ভয়াবহ অনৈতিক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের কিশোরী, তরুণী এবং স্বামী পরিত্যক্ত নারীদের লন্ডনে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে তিনি তাদের ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল করতেন। ধর্ষণের সময় গোপনে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে সেগুলো বিদেশে পাচার করার মতো রোমহর্ষক তথ্যও অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।

চুনারুঘাট উপজেলার এক ভুক্তভোগী তরুণী জানান, ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তার কার্যালয়ের ভেতরেই তাকে প্রথমবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। পরে ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে টানা পাঁচ মাস তাকে জিম্মি করে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। এমনকি তাকে অচেতন নাশক ওষুধ খাইয়ে নুরুল হকের বন্ধু ও প্রবাসীদের হাতেও তুলে দেওয়া হতো বলে অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, শুধু একজন নয়, ওই প্রতিষ্ঠানের আরও একাধিক নারী কর্মী একই লালসার শিকার হয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে লন্ডনে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রবাসীর সাথে ‘ফোন সেক্স’ করতে বাধ্য করার দৃশ্য দেখা যায়। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

বাহুবল মডেল থানায় ভুক্তভোগী চার তরুণী মামলা দায়ের করলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়। র‍্যাব-৯-এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত নুরুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, পলাতক থাকা অবস্থায় র‍্যাবের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তাকে বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জেএইচআর

Link copied!