ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

অপারেশন থিয়েটার থেকে প্রসূতি রেফার্ড, ঢামেকে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

মার্চ ২৪, ২০২৬, ১০:০১ পিএম

অপারেশন থিয়েটার থেকে প্রসূতি রেফার্ড, ঢামেকে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রত্না বেগম নামে এক প্রসূতিকে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন না করে মুমূর্ষু অবস্থায় রেফার্ড করার অভিযোগ উঠেছে একটি বেসরকারি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে। বর্তমানে ওই প্রসূতি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কন্যা সন্তান জন্ম দিলেও ১২ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও তার জ্ঞান ফেরেনি।

সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মির্জাপুর জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে। স্বজনদের অভিযোগ, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতির কারণেই প্রসূতির জীবন আজ সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় প্রসূতির বাবা দেওয়ান বছির উদ্দিন বাদী হয়ে মির্জাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের ছলিমনগর গ্রামের রত্না বেগমের প্রসব বেদনা শুরু হয়। প্রথমে তাকে মির্জাপুর ন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখান থেকে কুমুদিনী হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু পথিমধ্যে অবস্থা জটিল হওয়ায় তাকে মির্জাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ডা. রিমি দে অস্ত্রোপচার শুরু করলেও নবজাতককে বের করতে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে তড়িঘড়ি করে পেটে সেলাই দিয়ে রোগীকে কুমুদিনী হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করে। পরে রাত সাড়ে ৯টায় অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং মঙ্গলবার ভোরে ভর্তি করা হয়।

মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেলে পুনরায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে রত্না বেগম একটি কন্যা সন্তান জন্ম দেন। তবে অস্ত্রোপচারের দীর্ঘ সময় পার হলেও তার জ্ঞান ফেরেনি। এই ঘটনায় মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ক্লিনিক মালিক আলম মিয়াসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দেন প্রসূতির বাবা।

অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. রিমি দে জানান, রোগীকে অপারেশনে নেওয়া হলেও বাচ্চা বের করলে রোগীর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল, কারণ ফুল সামনের দিকে ছিল। তবে ওই ক্লিনিকে রোগী ভর্তি করা ঠিক হয়নি বলে তিনি স্বীকার করেন। ক্লিনিক মালিক আলম মিয়া জানান, রোগীকে রেফার্ড করার বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং এ বিষয়ে পরে কথা বলবেন বলে জানান।

মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেএইচআর

Link copied!