ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

সংরক্ষিত আসনে মাধবী মারমার নাম ঘোষণা, তৃণমূল বিএনপিতে ক্ষোভ

আলমগীর সুমন, বান্দরবান

আলমগীর সুমন, বান্দরবান

এপ্রিল ২০, ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম

সংরক্ষিত আসনে মাধবী মারমার নাম ঘোষণা, তৃণমূল বিএনপিতে ক্ষোভ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে তিন পার্বত্য জেলার জন্য অ্যাডভোকেট মাধবী মারমাকে মনোনীত করেছে বিএনপি। এ নিয়ে বান্দরবান জেলার তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সংরক্ষিত এই আসনটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তারা।

আলোচনা-সমালোচনার ঝড় এবং দলটির একাংশে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মাধবী মারমাসহ ৩৬ জনের নাম প্রকাশ করে তালিকা ঘোষণা করেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বান্দরবান জেলা বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা যায়, অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা একসময় আওয়ামী লীগের পক্ষে ফৌজদারি (ক্রিমিনাল) মামলায় এপিপি’র দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়া দলীয় কার্যক্রমে তেমন সক্রিয় না থাকা এবং দলীয় কোনো পদ-পদবী না থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পক্ষান্তরে অন্য প্রার্থীরা দলের দুঃসময়ে সময় দিয়েছেন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়। এ ঘটনায় ত্যাগীদের মূল্যায়ন না করায় দলীয় একাংশে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিনথি ইয়া লিখেন, “আওয়ামী লীগের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মাধবী মারমা বিএনপির মহিলা এমপি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন। অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা (২০০৯-২০১৫) পর্যন্ত আওয়ামী সরকারের দলীয় এপিপি ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে আওয়ামী সরকার কর্তৃক মনোনীত নোটারি পাবলিকের আইনজীবী ছিলেন। আবারও অভিনন্দন আপু।”

বান্দরবান শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক জগদীশ বড়ুয়া বলেন, মাধবী মারমা কোনো সময় দলের পক্ষে কাজ করেননি এবং পদ-পদবীও ছিল না। শুধু নির্বাচনের সময় আসা-যাওয়া করেন। এতে দলীয় ত্যাগীদের মূল্যায়ন না হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানান তিনি।

বান্দরবানের জিয়া সাইবার ফোর্সের যুগ্ম আহ্বায়ক লিখেন,
“আওয়ামী লীগ আমলে- এপিপি!
অন্তর্বর্তীতে- জেলা পরিষদের সদস্য!
বিএনপিতে- সংরক্ষিত সংসদ সদস্য!
মাধবী মারমা- সত্যিই সে অসাধারণ মেধাবী! অভিনন্দন।”

এখন টিভি বান্দরবান প্রতিনিধি রিজভী রাহাত ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার বান্দরবান প্রতিনিধি মিলন চক্রবর্তী নিজেদের ফেসবুক আইডিতে লিখে মাধবী মারমাকে অভিনন্দন জানান।

এ বিষয়ে জানতে মাধবী মারমাকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল ও হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বান্দরবান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রশিদ জানান, দলীয় ত্যাগী নেত্রীদের মধ্যে অধিকাংশ নেতা-কর্মী উম্মেকুলসুম সুলতানা লীনাকে সমর্থন করেছিলেন। মাধবী মারমার দলীয় পদ-পদবী বা সদস্যপদ না থাকলেও বিভিন্ন মিটিং ও মিছিলে তিনি অংশ নিয়েছেন এবং দলের পক্ষে কাজ করেছেন। তবে দলীয় সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তকে তিনি সাধুবাদ জানান। এছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এএন

Link copied!