ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

এক দশক পর তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনা সদস্য গ্রেপ্তার

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

এপ্রিল ২২, ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম

এক দশক পর তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনা সদস্য গ্রেপ্তার

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় দীর্ঘ এক দশক পর প্রথমবারের মতো একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি হাফিজুর রহমান, তিনি সেনাবাহিনীর সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাসা থেকে আটক করা হয়। পরদিন বুধবার তাকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। যদিও পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল।

পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, মামলার অগ্রগতির অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সন্দেহভাজনদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ ও তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণের পর এই গ্রেপ্তার সম্ভব হয়েছে।

এর আগে চলতি মাসের ৬ এপ্রিল মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা তিন সন্দেহভাজন—সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচ করার অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেন।

আদালতে এদিন উপস্থিত ছিলেন নিহত তনুর বাবা ইয়ার হোসেন, মা আনোয়ারা বেগম এবং ছোট ভাই রুবেল হোসেন। দীর্ঘদিন পর মামলায় অগ্রগতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসে টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরবর্তীতে সেনানিবাসের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার বাবা কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির তদন্ত শুরুতে পুলিশের কাছে থাকলেও পরে তা ডিবি ও সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়। দীর্ঘদিনেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলাটি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে পিবিআই মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

এএন

Link copied!