ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

এক ঝড়ে উড়ে গেল ঘর, খোলা আকাশেই দিন-রাত কাটছে জসিমের

সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

মে ২, ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম

এক ঝড়ে উড়ে গেল ঘর, খোলা আকাশেই দিন-রাত কাটছে জসিমের

মেঘনা নদীর ভাঙনে ভিটেমাটি হারানোর পর বহু কষ্টে গড়ে তোলা শেষ আশ্রয়টুকুও কালবৈশাখীর ঝড়ে হারালেন সুবর্ণচরের কৃষক জসিম উদ্দিন। বর্তমানে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি।

জানা গেছে, নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জসিম উদ্দিন একসময় নদীভাঙনে সব হারিয়ে অন্যের জমিতে আশ্রয় নেন। পরে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কারণে সেখান থেকেও সরে যেতে বাধ্য হন। সবশেষে বেড়িবাঁধের পাশে খাস জমিতে টিন ও বাঁশ দিয়ে একটি ছোট ঘর নির্মাণ করে কোনোমতে মাথা গোঁজার ঠাঁই করেছিলেন।

গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে বয়ে যাওয়া প্রবল কালবৈশাখী ঝড়ে মুহূর্তেই গুঁড়িয়ে যায় তাঁর সেই ঘরটি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বসতঘরের স্থানে এখন শুধু পড়ে আছে ভাঙা টিন, ছিন্নভিন্ন বাঁশ আর ধ্বংসস্তূপ। ঘটনার চার দিন পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা পায়নি পরিবারটি।

জসিমের স্ত্রী অজিবা খাতুন বলেন, “আমাদের থাকার মতো আর কোনো জায়গা নেই। যেটুকু ছিল, সেটাও শেষ হয়ে গেছে। রাতে ঘুমাতে পারি না, বৃষ্টি আর রোদের মধ্যে বসে বসেই রাত কাটাতে হয়।” জসিম উদ্দিন আক্ষেপ করে বলেন, নদী ও বাঁধ তাঁর আশ্রয় কেড়ে নিয়েছে বারবার। এবার ঝড় তাঁর শেষ সম্বলটুকুও শেষ করে দিল।

স্থানীয়রা জানান, উপকূলীয় এলাকায় এমন অনেক ভূমিহীন পরিবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছে। ভুক্তভোগী এই পরিবারের জন্য দ্রুত একটি স্থায়ী আশ্রয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। খোঁজ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।”

জেএইচআর

Link copied!