ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগে জেল খাটা সেই ইমাম মানসিক হাসপাতালে

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ১৫, ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম

ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগে জেল খাটা সেই ইমাম মানসিক হাসপাতালে

ফেনীর পরশুরাম উপজেলায় ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে এক মাসেরও বেশি সময় কারাভোগের পর ডিএনএ পরীক্ষায় নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি ইমাম মোজাফফর আহমদ (২৫)। 

বৃহস্পতিবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রেজা তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে তিনি লেখেন, ফেনীর মিথ্যা ধর্ষণ মামলার ভুক্তভোগী সেই ইমাম সাহেবের একটি জরুরি আপডেট জানাচ্ছি। আমরা আগেই জেনেছিলাম, জেলে থাকা অবস্থায় তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন এবং দেওয়ালে মাথা ঠুকে আহত হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি যে বর্তমানে ভয়াবয় সাইকোসিস বা মানসিক ভারসাম্যহীনতার শিকার হয়েছেন, তা আমাদের জানা ছিল না।

তারেক রেজা জানান, ওই রাতে থাকার জন্য মোজাফফরকে তার ছোট ভাই ইমনের বাসায় পাঠানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরই তিনি হঠাৎ অত্যন্ত আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। বাসার জিনিসপত্র ভাঙচুর করেন এবং ইফতি ও ইমনের ওপর চড়াও হয়ে মারধর ও কামড়ে জখম করেন। এমনকি পাশের ফ্ল্যাটের মালিকের বাসায় ঢুকেও তাকে আঘাত করার চেষ্টা চালান।

তারেক রেজা আরও জানান, ইমন বিষয়টি জানালে আমি দ্রুত সেখানে উপস্থিত হই। একপর্যায়ে তিনি আমাকেও আঘাত করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বাধ্য হয়ে আমরা তাকে বেঁধে ফেলি এবং ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চাই। পরে পুলিশের সহযোগিতায় মোজাফফরকে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং ইনজেকশন দেওয়ার প্রায় ঘণ্টাখানেক পর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমি তার অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে হাসপাতালেই আছি। তবে তার জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় এবং আমি তার লিগ্যাল গার্ডিয়ান না হওয়ায় তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্তি করানো যাচ্ছে না। ইতোমধ্যে ইমাম সাহেবের বাড়িতে যোগাযোগ করেছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে তার পরিবার এসে পৌঁছালে ইনশাআল্লাহ তাকে একটি ভালো হাসপাতালে ভর্তি করাবো।

পোস্টে তারেক রেজা বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানান চিকিৎসক ডা. সাঈদুল আশরাফুল কুশালকে। তিনি লেখেন, রাত ৪টার সময় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে এবং তিনি ইমাম জুবায়েরকে সারাজীবন বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহ তাকে এর উত্তম প্রতিদান দেবেন।

মোজাফফর আহমদ পরশুরাম উপজেলার বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের টেটেশ্বর গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় এক কিশোরীর করা ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত হয়ে তিনি ৩২ দিন কারাগারে ছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে হওয়া ডিএনএ পরীক্ষায় কিশোরীর সন্তানের সঙ্গে তার কোনো জৈবিক সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

জেএইচআর

Link copied!