ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতির কক্ষে তালা, পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগের দাবি

রাকিবুল হাসান, রাজশাহী

রাকিবুল হাসান, রাজশাহী

জুন ২৪, ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম

রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতির কক্ষে তালা, পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগের দাবি

সেশনজট, ফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা এবং উপস্থিতি গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতির কক্ষে তালা দিয়েছেন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। 

বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজী ভবনে অবস্থিত বিভাগের সভাপতির কক্ষে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন শুরু করেন তাঁরা। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘কিসের অর্ডিন্যান্স, সাড়ে ছয় বছরে অনার্স কেন?’, ‘৯ মাসে এক সেমিস্টার কেন?’ এবং ‘ছাত্র-ছাত্রীদের বিভাগ না, শিক্ষকদের বিভাগ?’ সংবলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, করোনাকালীন শিক্ষাজট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় তাঁদের শিক্ষাজীবনে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছে। অনার্স ২০২৪ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা শেষ হয়েছে ২০২৬ সালে। পাশাপাশি বিভাগে ফল প্রকাশেও চরম বিলম্ব করা হয়েছে। মাস্টার্স পর্যায়ে উপস্থিতি ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁরা বলেন, একটি ক্লাসের বিপরীতে একটি উপস্থিতি দেওয়ার নিয়ম থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক ক্লাসে তিন থেকে চারটি উপস্থিতি গণনা করা হয়েছে। ফলে কোনো শিক্ষার্থী একদিন অনুপস্থিত থাকায় একাধিক উপস্থিতি হারিয়ে পরীক্ষায় বসার প্রয়োজনীয় ৬০ শতাংশ উপস্থিতির শর্ত পূরণ করতে পারেননি।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আবু মুসা ও মোহসিনা আরাবি জানান, চার বছরের অনার্স কোর্স শেষ হতে তাঁদের প্রায় ছয় বছর লেগেছে। মাস্টার্সও নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে শুরু হয়েছে। এখন উপস্থিতি গণনার ত্রুটিপূর্ণ পদ্ধতির কারণে অনেক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসার যোগ্যতা হারিয়েছে। বিষয়টি বিভাগীয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোনো সমাধান না পাওয়ায় তাঁরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

তবে উপস্থিতি গণনায় অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি রবিউল আলম। তিনি বলেন, কিছু শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ৬০ শতাংশের নিচে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী তাঁরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। আজ থেকেই পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে শিক্ষার্থীরা সবাইকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিভাগীয় শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়।

জেএইচআর

Link copied!