ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

তিস্তার পানি কমলেও কমেনি নিম্নাঞ্চলের দুর্ভোগ

মিজানুর রহমান মিজান, লালমনিরহাট

মিজানুর রহমান মিজান, লালমনিরহাট

জুন ২৯, ২০২৬, ০৪:২১ পিএম

তিস্তার পানি কমলেও কমেনি নিম্নাঞ্চলের দুর্ভোগ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে লালমনিরহাটের তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। সোমবার দুপুরে ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে পানি কমতে শুরু করলেও তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের সড়ক, বাড়িঘর ও ফসলি জমি এখনো জলমগ্ন থাকায় চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ কমেনি।

এর আগে গতকাল রবিবার সন্ধ্যা ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার এবং রাত ৯টায় ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে প্লাবিত হয় নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল। রাতভর পানি কমে আজ সকাল ৬টায় তা বিপৎসীমার সমান্তরালে নেমে আসে। সকাল ৯টার পর পানি আরও কমতে থাকলেও প্লাবিত এলাকাগুলো থেকে পানি এখনো পুরোপুরি নামেনি।

আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্ধন এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম জানান, ঘরে হাঁটুসমান পানি থাকায় কোনো কাজকর্ম করা যাচ্ছে না। কোনোভাবে চৌকির ওপর বসে পরিবার নিয়ে রাত কাটিয়েছেন। একই এলাকার ছমির উদ্দীন বলেন, “পানি বাড়লেই গবাদি পশু নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। পানি দীর্ঘস্থায়ী হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, উজানের পানির প্রবাহ কমে আসায় ধীরে ধীরে কমছে তিস্তার পানি। আজ সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৩ মিটার, যা বিপৎসীমার (৫২ দশমিক ১৫ মিটার) ২ সেন্টিমিটার নিচে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল হক প্রধান বলেন, তিস্তার পানি বাড়ায় জেলার কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ২২০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তালিকা প্রস্তুত করে পর্যায়ক্রমে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে এই সহায়তা বিতরণ করা হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তীতে ভাঙনকবলিত এলাকায় ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেএইচআর

Link copied!