ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬

বান্দরবান সিভিল সার্জনের কোটি টাকার অনিয়ম সম্পর্কে যা জানা গেল

মো. আলমগীর সুমন, বান্দরবান

মো. আলমগীর সুমন, বান্দরবান

জুলাই ২, ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম

বান্দরবান সিভিল সার্জনের কোটি টাকার অনিয়ম সম্পর্কে যা জানা গেল

বান্দরবান সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ঔষধ, চিকিৎসাসামগ্রী ও আসবাবপত্র ক্রয়কে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে জেলায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রায় ৪ কোটি টাকার ই-জিপি (e-GP) টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করে সিভিল সার্জন কার্যালয়। ১৩ জুন কার্যাদেশ পায় এমএসএম বাংলাদেশ, এমএসএম হেলথ কেয়ার এবং মেসার্স আলমগীর অ্যান্ড ব্রাদার্স। এর মধ্যে এমএসএম বাংলাদেশ ও এমএসএম হেলথ কেয়ার একই মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বলে জানা গেছে।

টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহে ২৮ থেকে সর্বোচ্চ ৯০ দিন সময় নির্ধারিত থাকলেও, অভিযোগ রয়েছে—সব মালামাল স্টোরে জমা না পড়ার আগেই তিন প্রতিষ্ঠানের নামে মোট ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩৬৪ টাকার বিলের সুপারিশ করেন টেন্ডার কমিটির পাঁচ সদস্য ও সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী। পরে ওই অর্থের বিপরীতে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ থেকে তিনটি চেক ইস্যু করা হয়।

আরও জানা যায়, মেসার্স আলমগীর অ্যান্ড ব্রাদার্স আগের বছরগুলোতেও টেন্ডার পেলেও এমএসএম বাংলাদেশ ও এমএসএম হেলথ কেয়ার বর্তমান সিভিল সার্জনের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে টেন্ডারে অংশ নেয়। গত বছর একটি এবং চলতি বছর ছয়টির মধ্যে পাঁচটি টেন্ডারে প্রতিষ্ঠান দুটি কার্যাদেশ পাওয়ায় স্থানীয়ভাবে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

বান্দরবান সদর হাসপাতালের স্টোরকিপার শিমিয়ন ত্রিপুরা বলেন, শুরুতে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ মালামাল স্টোরে জমা হলেও তত্ত্বাবধায়কের নির্দেশে ৯০ শতাংশ সরবরাহ দেখিয়ে বিল-ভাউচারে তিনি স্বাক্ষর করেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএসএম এর প্রতিনিধি আবু জাহিদ দাবি করেন, ২ জুলাই দুপুর পর্যন্ত দরপত্র অনুযায়ী প্রায় ৯৫ শতাংশ মালামাল সরবরাহ করা হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত তাদের প্রতিষ্ঠান কোনো বিলের অর্থ পায়নি।

অভিযোগ অস্বীকার করে বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী বলেন, সব টেন্ডার যথাযথ নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে। ২ জুলাই পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ মালামাল সরবরাহ করা হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, টেন্ডার শুরুর আগে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা পরিচয়দানকারী জসীম রানা নামে এক ব্যক্তি তার পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার জন্য সুপারিশ ও আর্থিক প্রলোভন দিয়েছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে কিছু ঔষধ ও চিকিৎসাসামগ্রীর ঘাটতির তথ্য পাওয়া গেছে। তবে ৩ কোটি ৮৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩৬৪ টাকার তিনটি চেক ইস্যু করা হলেও সেগুলো এখনো সিভিল সার্জন কার্যালয় বা ঠিকাদার গ্রহণ করেনি। চেকগুলো বর্তমানে জেলা পরিষদের হিসাব শাখায় সংরক্ষিত রয়েছে।

এম জি
 

Link copied!