ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬
প্রশ্ন চিফ হুইপের

ভারতে যে হারে মসজিদ ভাঙা হয়, সে হারে কি বাংলাদেশে মন্দির ভাঙা হয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই ২, ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম

ভারতে যে হারে মসজিদ ভাঙা হয়, সে হারে কি বাংলাদেশে মন্দির ভাঙা হয়

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ভারতে যে হারে মসজিদ ভাঙার ঘটনা ঘটে, বাংলাদেশে কি একই হারে মন্দির ভাঙা হয়- এ বিষয়টিও আলোচনায় বিবেচনায় আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোর হস্তক্ষেপ না করার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে অনুষ্ঠিত বাজেট-পরবর্তী সংসদ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, ‘ভারতে যে হারে মসজিদ ভাঙা হয়, বাংলাদেশে কি সে হারে মন্দির ভাঙা হয়? এ বিষয়টি আলোচনায় বিবেচনা করা প্রয়োজন।’ তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ভূখণ্ড কোনো প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার হোক, সরকার তা চায় না। একইভাবে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর হস্তক্ষেপও কাম্য নয়।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটি প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে ব্যবহার হোক, সেটা আমরা চাই না। একই সঙ্গে আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রতিবেশীরা নাক গলাক, সেটাও চাই না।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের প্রসঙ্গ তুলে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ভারত এই সফরকে কীভাবে নিয়েছে, তা দেশটির কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করলেই বোঝা যাবে।

বাজেট নিয়ে তিনি বলেন, এটি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা ধরনের আলোচনা ও বিশ্লেষণ হয়েছে। কেউ বাজেটকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন, আবার কেউ সমালোচনা করেছেন। তবে তিনি এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজেট উল্লেখ করে বলেন, এটি তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রণীত প্রথম বাজেট এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো বাজেটে বিরোধী দল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে।

চিফ হুইপ আরও বলেন, সংসদীয় বিধি অনুযায়ী বিরোধী দলের জন্য ২৬ শতাংশ সময় বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে তাদের অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে। ফলে তারা প্রায় ৩১ শতাংশ সময় বক্তব্য রাখার সুযোগ পেয়েছেন। বিরোধী দলের সদস্যরা ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট পর্যন্ত বক্তব্য দিয়েছেন এবং বিরোধী দলীয় নেতার জন্যও কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, বিরোধী দলকে তাদের ইচ্ছামতো বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের সব বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনা হয়েছে। এছাড়া সংসদীয় ইতিহাসে এবারই প্রথম বাজেট আলোচনার নির্ধারিত সময় শেষে সরকার নয়, বরং বিরোধী দলীয় নেতাই স্পিকারের কাছে গিলোটিন প্রস্তাব আনার অনুরোধ করেন। পরে বিরোধী দল তাদের ছাঁটাই প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেয়, যা থেকে বোঝা যায় তারা মনে করেছে বাজেট নিয়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।

এএন

Link copied!