ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই, ২০২৬

ঘিওরে সরকারি খাল দখলমুক্ত ও পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধন

সাইফুল ইসলাম, ঘিওর (মানিকগঞ্জ)

সাইফুল ইসলাম, ঘিওর (মানিকগঞ্জ)

জুলাই ৭, ২০২৬, ০২:২৪ পিএম

ঘিওরে সরকারি খাল দখলমুক্ত ও পুনঃখননের দাবিতে মানববন্ধন

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বড়টিয়া ইউনিয়নের ফুলহারা বাজারে সরকারি খাল দখল ও ভরাট করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খালটি দখলমুক্ত করা এবং দ্রুত পুনঃখননের দাবিতে ফুলহারা, মৌহালী, কলিয়া ও গোলাপনগর-এই চার গ্রামের শত শত মানুষ এক বিশাল মানববন্ধনে অংশ নিয়েছেন। 

মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে ফুলহারা বাজারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এলাকাবাসী খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী বাসিন্দারা জানান, ঐতিহ্যবাহী এই খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় পুরো এলাকার স্বাভাবিক পানি প্রবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে তিন ফসলি জমিতে সেচ ও চাষাবাদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সামনে বর্ষা মৌসুম আসায় পুরো এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শুধু তাই নয়, পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় হিজুলিয়া–ইছামতি শাখা নদীর দুই তীরের বসতবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদী ভাঙনের মুখে পড়েছে।

এর আগে গত ২৯ এপ্রিলও একই স্থানে খাল পুনরুদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছিল। সে সময় প্রশাসন খালের উত্তর পাশে নির্মাণাধীন একটি ভবনের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। কিন্তু পরবর্তীতে খালের দক্ষিণ পাশে ভরাট করে আবারও দোকান ও স্থাপনা নির্মাণের অপচেষ্টা চালানো হয়।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাশিতা-তুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তানভীর ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন এবং ঘিওর থানা-পুলিশের একটি দল। এ সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করে বলা হয়, সরকারি সম্পত্তি কোনো অবস্থাতেই ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাশিতা-তুল ইসলাম বলেন, সরকারি জায়গায় নির্মিত কোনো অবৈধ স্থাপনা বরদাশত করা হবে না। প্রথমে আমরা সার্ভেয়ারের মাধ্যমে সঠিকভাবে খালের সীমানা পরিমাপ করব এবং মানচিত্র যাচাই করব। সরকারি খালের জমিতে অবৈধ দখলের প্রমাণ মিললেই আইন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে খাল পুনরুদ্ধার করা হবে। নির্দেশ অমান্য করে কেউ নতুন করে দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রশাসনের এই আশ্বাসের পর এলাকাবাসী কর্মসূচি সমাপ্ত করেন। তবে কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় কালক্ষেপণ না করে দ্রুত পরিমাপ সম্পন্ন ও উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে খাল পুনঃখনন কাজ শুরু করার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী চার গ্রামের মানুষ।

জেএইচআর

Link copied!